পাকিস্তানের করাচিতে চীনা কনস্যুলেটে হামলার চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। এই সময় তিন সন্ত্রাসীসহ ৭ জন নিহত হয়েছে। বাকি চারজনের মধ্যে দুইজন নিরাপত্তারক্ষী ও দুইজন বেসামরিক নাগরিক। এদিকে দেশটির একটি উপজাতি অধ্যুষিত জেলায় জঙ্গি হামলায় ৩২ জন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছে। চীন তাদের কনস্যুলেটে হামলার কড়া নিন্দা জানিয়েছে। খবর ডনের
পুলিশ জানিয়েছে, কঠোর নিরাপত্তায় ঘেরা করাচির ক্লিফটন এলাকায় গতকাল শুক্রবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে হামলা চালায় সন্ত্রাসীরা। কনস্যুলেটের বাইরের চেকপোস্টে এসে সন্ত্রাসীরা প্রথমে গুলি শুরু করে। এরপর হাত বোমা নিক্ষেপ করে। পুলিশের অতিরিক্ত মহাপরিদর্শক আমির শেখ জানান, কনস্যুলেটের বাইরে সামান্য দূরে গাড়ি পার্কিং করেছিল সন্ত্রাসীরা। তাদের হামলায় দুই পুলিশ কর্মকর্তা এবং দুই বেসামরিক নাগরিক নিহত হয়েছে। তাদের পরিচয় পেয়েছে পুলিশ। নিহত পুলিশ কর্মকর্তারা হলেন-সহকারী উপ-পুলিশ পরিদর্শক আশরাফ দাউদ এবং কনস্টেবল আমির। আর বেসামরিক নাগরিক হলেন জহির শাহ এবং তার পুত্র আব্দুর করিম। নিরাপত্তা বাহিনীর গুলিতে তিন সন্ত্রাসী নিহত হয়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী শাহ মাহমুদ কোরেশি এবং পুলিশ কর্মকর্তারা হামলায় পেছনে কারা দায়ী সেই বিষয়ে তাত্ক্ষণিকভাবে মন্তব্য করতে অস্বীকৃতি জানিয়েছেন। তবে নিষিদ্ধ সংগঠন বেলুচিস্তান লিবারেশন আর্মি হামলার দায়িত্ব স্বীকার করেছে। যদিও তাদের দাবির সত্যতা নিশ্চিত করা যায়নি। এদিকে একইদিনে উপজাতি অধ্যুষিত খাইবার পাখতুনখাওয়া প্রদেশের ওরাকজাই জেলায় জঙ্গি হামলায় ৩২ জন নিহত এবং ৩১ জন আহত হয়েছে। গতকাল সকালে জেলার ইমামবাড়ার নিকটে হামলা হয়।
