ঝিনাইদহে আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী ৩ জঙ্গির

আপডেট : ১৯ মে ২০১৭, ১৫:১২
ঝিনাইদহের মহেশপুর উপজেলার বজরাপুর গ্রামে জঙ্গি আস্তানায় গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গি জহুরুল ইসলাম জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট কাজী আশরাফুজ্জামানের আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূল জবানবন্দী দিয়েছে। 
 
আজ শুক্রবার দুপুরে আদালতে হাজির করা হলে সে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী দেয়। জবানবন্দী শেষে বিচারক তাকে জেল হাজতে পাঠানোর আদেশ দেন।
 
ঝিনাইদহের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আজবাহার আলি শেখ জানান, ৭মে ভোরে পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সদস্যরা জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে মহেশপুর উপজেলার বজরাপুর  গ্রামে জহুরুল ইসলামের বাড়ি ঘেরাও করে অভিযান শুরু করে। এ সময় আব্দুল্লাহ নামে জঙ্গি বোমা বিস্ফোরণে আত্মঘাতী হয়। তুহিন নামে অপর জঙ্গি পুলিশ ও কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের সাথে গোলাগুলিতে নিহত হয়। এ সময় কাউন্টার টেরোরিজম ইউনিটের এডিসি নাজমুল হাসান ও পুলিশের এএসআই মহসিন আহত হন।  ওই জঙ্গি আস্তানা থেকে বোমা, বোমা তৈরির সরঞ্জাম ও অস্ত্র গুলি উদ্ধার করা হয়। গ্রেপ্তার করা হয় জহুরুল ইসলাম ও তার ছেলে জসিম উদ্দিনকে।
 
অপরদিকে গত মঙ্গলবার ঝিনাইদহ সদর উপজেলা চুয়াডাঙ্গা গ্রামের জঙ্গি আস্তানায় র‌্যাবের অভিযানের সময় গ্রেপ্তারকৃত জঙ্গি সেলিম রেজা ও প্রান্ত হোসেন বৃহষ্পতিবার বিকালে আদালতে দোষ স্বীকার করে জবানবন্দী দিয়েছে। র‌্যাব-৬ এর ঝিনাইদহ কোম্পানি কমান্ডার মেজর মনির আহমেদ এ তথ্য জানিয়েছেন।  
 
তিনি বলেন, ঝিনাইদহ সদর উপজেলা চুয়াডাঙ্গা গ্রামে জঙ্গি আস্তানা সন্দেহে গত মঙ্গলবার ২টি বাড়িতে অভিযান চালায় র‌্যাব। তার আগে সোমবার রাতে সেলিম ও প্রান্তকে সন্দেহজনক ঘুরাফেরা করার সময় আটক করে র‌্যাব। তাদের স্বীকারোক্তি মত অভিযান চালিয়ে এখান থেকেও র‌্যাব ৪টি বোমা,  ১টি এন্টি মাইন, ১৮৬টি বোমা তৈরির সার্কিট বোর্ডসহ বোমা তৈরির সরঞ্জাম উদ্ধার করে।
 
বৃহস্পতিবার সদর থানায় র‌্যাবের পক্ষ থেকে মামলা দায়ের করা হয়। তাদের আদালতে পাঠানো হয়। চিফ জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট এসএম মনিরুজামানের আদালতে তারা ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দী প্রদান করে। তাদের আদালত জবানবন্দী গ্রহণের পর জেল হাজতে পাঠানো আদেশ দেন। 
 
ইত্তেফাক/এমআই