বগুড়ার ধুনট সদরের একটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ষষ্ঠ শ্রেণির ছাত্রীকে ধর্ষণের অভিযোগে জাহাঙ্গীর আলম (২০) নামে এক অটোভ্যান চালককে ধরে থানায় দিলেন ওই ছাত্রীর মা। জাহাঙ্গীর আলম সিরাজগঞ্জের কাজিপুর উপজেলার পারুলকান্দি গ্রামের শামসুল হকের ছেলে। শনিবার সকাল ১১টার দিকে ধুনট থানা থেকে তাকে আদালতের মাধ্যমে বগুড়া কারাগারে পাঠানো হয়।
থানা পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ওই ছাত্রী প্রতিদিন বাড়ি থেকে জাহাঙ্গীর আলমের বাটারি চালিত অটোভ্যানে চড়ে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে যাতায়াত করতো। এক পর্যায়ে ওই ছাত্রীর প্রতি ভ্যান চালক জাহাঙ্গীর আলমের কুদৃষ্টি পড়ে। মেয়েটিকে প্রেমের প্রস্তাব দেয় জাহাঙ্গীর। কিন্ত ভ্যান চালকের প্রেমে সাড়া দেয়নি মেয়েটি।
এদিকে, কয়েক দিন আগে স্কুলছাত্রীর বাবা জীবিকার তাগিদে বাড়ি ছেড়ে যমুনার চর এলাকায় যান। বাড়িতে অভিভাবক না থাকার সুযোগে বৃহস্পতিবার রাতে স্কুলছাত্রীর ফাঁকা বাড়িতে প্রবেশ করে জাহাঙ্গীর। এক পর্যায়ে জাহাঙ্গীর আলম ছাত্রীর পড়ার কক্ষে গিয়ে ছাত্রীকে ধর্ষণ করে। এ সময় ছাত্রীর চিৎকারে তার মা প্রতিবেশী লোকজনের সহযোগীতায় ধর্ষক জাহাঙ্গীর আলমকে ধরে থানায় সোপার্দ করেন।
এ ঘটনায় স্কুলছাত্রীর মা বাদী হয়ে শুক্রবার বিকালের দিকে ভ্যান চালক জাহাঙ্গীর আলমের বিরুদ্ধে থানায় একটি ধর্ষণ মামলা দায়ের করেন। শনিবার সকালের দিকে ধর্ষণের কথা শিকার ওই স্কুলছাত্রীর শারীরিক পরীক্ষার জন্য বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
ধুনট থানার অফিসার ইনচার্জ মিজানুর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাটি প্রাথমিক তদন্তে সত্যতার প্রমাণ পাওয়া গেছে। তারপরও মেয়েটিকে ডাক্তারি পরীক্ষার পর প্রকৃত ঘটনা জেনে আদালতে প্রতিবেদন দাখিল করা হবে।
ইত্তেফাক/কেকে
