মঞ্জুর মোর্শেদ রুমন
বেলুনাকৃতির যে মাছটি সমুদ্র কিংবা নদীতে দেখা যায় তা ‘পটকা মাছ’ নামে পরিচিত। এটি নিজেকে বেলুনের মতো ফোলাতে পারে। অত্যন্ত বিষাক্ত এ মাছ সমুদ্রের পানিতেই বেশি দেখা যায়। তবে স্বাদু পানিতেও অল্প কিছু সংখ্যক বাস করে। দেখতে গোবেচারা মনে হলেও পটকা মাছের শরীর আস্ত একটা বিষের থলি। টেট্রোডোটক্সিন নামে এক প্রকার বিষ আছে পটকায়।
বাংলাদেশে পটকা মাছের ১৩টি প্রজাতি রয়েছে, যার মধ্যে দুটি স্বাদু পানির আর বাকিগুলোর বসবাস সমুদ্রে। পটকা মাছের চারটি বৈজ্ঞানিক নাম—টেট্রোডন প্যাটোকা, শেলোনোডন প্যাটোকা, টেট্রোডন ডিসুটিডেনস এবং টেট্রোডন কাপ্পা।
পটকা মাছের দেহ প্রায় গোলাকার, মাথা চওড়া, দেহ খণ্ডও চওড়া। এদের বাঁকানো দুপাটি দাঁত আছে, যা দ্বারা এরা শিকার ধরে। এরা সাধারণত শামুক, ঝিনুক, গলদা চিংড়ি খায়। আমাদের দেশে মাঝেমাঝে অসাবধানতাবশত পটকা মাছ খেয়ে মৃত্যুর খবর শোনা যায়। তাই এক্ষেত্রে অবশ্যই সতর্কতা জরুরি।
