রাজশাহী জেলার বাঘা উপজেলার আম এবার ইউরোপের ইংল্যান্ড, নেদারল্যান্ড, সুইডেন, নরওয়ে, পর্তুগাল, ফ্রান্সসহ রাশিয়াতে পাঠানো হবে। গত বছর থেকে শুরু হয়েছে এই আম পাঠানোর কার্যক্রম। হটেক্স ফাউন্ডেশন ও উপজেলা কৃষি সম্প্রসারণ অধিদফতরের এর যৌথ আয়োজনে বিশ্ব খাদ্য সংন্থার মাধ্যমে এই আম রফতানির কাজ শুরু করা হয়েছে।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা সাবিনা বেগম জানান, এ বছর আম রফতানির জন্য বাঘা উপজেলায় বড়-বড় বাগান মালিককে (৫০) উত্তম কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে নিরাপদ ও বিষমুক্ত আম উৎপাদনের লক্ষে প্রশিক্ষণের মাধ্যমে তালিকাভুক্ত করে সনদপত্র দেয়া হয়েছে। এর আগে গত বছর উত্তম কৃষি ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে লিড ফার্মারদের বাগানে উৎপাদিত ও ক্ষতিকর রাসায়নিকমুক্ত প্রতিটি ২০০ থেকে ৩০০ গ্রাম ওজনের আম ঢাকা বিএসটিআই ল্যাবে নমুনা পরীক্ষা করা হয়। বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের একটি টিম বাগান পরিদর্শন করে বাঘা উপজেলার আম রফতানি যোগ্য হিসেবে বিবেচিত করেন। এরপর থেকে আম রফতানি শুরু করা হয়। যা এবারও চলমান থাকবে। আগামী ১৫ দিন পর প্রথমে হিমসাগর এরপর ল্যাংড়াসহ অন্যান্য ভালো প্রজাতির আম রফতানি শুরু করা হবে বলে তিনি জানান।
IMG0
সূত্রে জানা যায়, বাঘার আমের খ্যাতি সারা দেশ জুড়ে। এ অঞ্চলের আমের মধ্যে-ফজলি, খিরশাপাত, গোপাল ভোগ ও ল্যাংড়ার নাম শোনা যায় সবার মুখে-মুখে। এ ছাড়াও বৌ-ভুলানী, রানীপসন্দ, জামাইখুসি, বৃন্দাবন, তুতাপরি, লকনা, বোম্বাই খিরসা, দাউদভোগ, সেনরি, আম্রপালি, আশ্বিনা, ক্ষুদি খিরসা, বৃন্দাবনী, ও কালীভোগসহ প্রায় দেড়শ জাতের আম রয়েছে।
সার্বিক বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হামিদুল ইসলাম জানান, মাটির গুনগত মানের কারণে এখানকার আম সত্যিই দেশ সেরা বলতে হয়। তিনি বলেন, অনেক জায়গায় চাকরি করেছি, সেই সঙ্গে আমও খেয়েছি। তবে বাঘার আমের সাধ এবং গুনগতমান মান ইতিবাচক।
ইত্তেফাক/কেকে
