এ সময়ে সবাই নিজের পোশাক নিয়ে, স্টাইল নিয়ে একটু বেশিই সচেতন। পাশাপাশি আরেকটা জিনিস নিয়েও মানুষ খুব হুঁশিয়ার, আর সেটা হলো কমফোর্ট। আজকাল সবাইকে দেখা যায় পোশাকের সঙ্গে মিলিয়ে জুতা পরতে, আবার সেই জুতা যে সে জুতা হলে হবে না, জুতাটা হতে হবে আরামদায়ক একই সঙ্গে স্টাইলিশ। ক্রেতাদের এই চাহিদার কথা মাথায় রেখেই স্টেপ নিয়ে এসেছে নানা রঙ-ডিজাইনের আরামদায়ক, স্টাইলিশ ও সময়োপযোগী জুতার সমাহার।
একটা সময় পাতলা ফ্লিপ ফ্লপ স্যান্ডেলগুলো শুধু ঘরে পরা হতো। অফিস কিংবা কোনো সামাজিক আয়োজনে সবাই চামড়ার জুতা এবং স্যান্ডেল পরতেই বেশি পছন্দ করতেন। তবে প্রায় সময় দেখা যেত, সেই জুতাগুলো খুব আরামদায়ক হতো না।
আবার চামড়ার জুতার আলাদা যত্ন না নিলে খুব তাড়াতাড়ি নষ্ট হয়ে যায়, অনেক দাম দিয়ে কেনা চামড়ার জুতাগুলো তখন ফেলেই দিতে হয়। তবে, সময়ের সঙ্গে সবাই এখন আরাম আর স্টাইলের দিকে ঝুঁকছে, এখন অনেকেই ভার্সিটিতে অফিসে এমনকি সামাজিক নানা আয়োজনে স্টেপের এই ফ্লিপ ফ্লপ স্যান্ডেলগুলো পরে যাচ্ছে।
রাবারের এই ফ্লিপ ফ্লপ স্যান্ডেলগুলোর প্রতি ধারণা সবারই এখন পাল্টে যাচ্ছে। দৈনন্দিন কাজের পাশাপাশি সর্বত্র এখন এই জুতাগুলোই পরছে নারী-পুরুষ সবাই। ফ্যাশন ও স্টাইলের এই পরিবর্তন ঘটেছে আমাদের তরুণ সমাজের হাত ধরেই। নজরকাড়া ডিজাইনের এই স্যান্ডেলগুলো তারা স্বাচ্ছন্দ্যে ব্যবহার করছে। দেখতে রুচিশীল ও পরতে আরাম হওয়ার কারণে, এই চটি পায়ে ছেলেমেয়েরা কলেজ, ভার্সিটি ও বন্ধুদের আড্ডাতেও যাচ্ছে। পাশাপাশি এই স্যান্ডেলগুলো সালোয়ার-কামিজের সঙ্গে যেমন মানানসই, তেমনি এটি জিন্স আর টি-শার্টের সঙ্গেও সুন্দর দেখায়। গরমের সময় ছেলেরা ক্যাজুয়াল শু অথবা স্নিকার্স পরলেও, আজকাল স্নাইডসের চলটাও লক্ষণীয়। স্নাইডসের চলটা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রদের মধ্যে বেশি লক্ষ করা যায়। গরমে টি-শার্ট এবং জিন্সের সঙ্গে স্নাইড খুব ভালো যায়।
ঈদ আসতে আর বেশি দেরি নেই। এরই মধ্যে সবখানে ঈদের আয়োজনের হিড়িক পড়েছে। তবে, এবার ঈদ আসছে গ্রীষ্মের দাবদাহ এবং মেঘমল্লার সঙ্গে নিয়ে। তাই, পোশাকের সঙ্গে জুতাটাও হতে হবে স্টাইলিশ, আরামদায়ক এবং সময়োপযোগী। এই তিনটি বিষয়ে লক্ষ্য রেখে কিনে ফেলুন আপনার পছন্দের জুতা।
ইত্তেফাক/আনিসুর
