পাহাড় ধস : কাউখালীতে ৫ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত

আপডেট : ১৪ জুন ২০১৭, ১১:৪৩
কাউখালী উপজেলায় প্রবল বর্ষণ, পাহাড়ি ঢল ও পাহাড় ধসে কমপক্ষে ১৫ জন নিহত ও ৩০ জন আহত হয়েছেন। এ ছাড়া উপজেলার চারটি ইউনিয়নে কমপক্ষে পাঁচ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে প্রায় পাঁচ শতাধিক পরিবার। 
 
উপজেলা সদরের আশে পাশে ছয়টি আশ্রয় কেন্দ্র খোলা হয়েছে।  স্মরণকালের ভয়াবহ পাহাড় ধসের ঘটনায় পুরো কাউখালী উপজেলায় শোকের মাতম চলছে। কাউখালী থানার অফিসার ইনচার্জ আব্দুল করিম ও প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা মলবরণ সাহা এ সব বিষয় নিশ্চিত করেছেন। 
IMG0
সূত্র জানায়, গত তিনদিন ধরে চলা প্রবল বর্ষণে উপজেলার বিভিন্ন এলাকার পাহাড় ও টিলা গুলো ক্রমশ ঝুকিপূর্ণ হয়ে পড়ে। গত সোমবার সারাদিন ও রাতে ভারী বর্ষণ হয়।
 
ভূমি ধসে উপজেলা সদরের কাশখালী গ্রামে একই পরিবারের মা ছেলেসহ তিনজন নিহত হয়। এরা হলেন মো. রশিদের সন্তান মো. এছাক (৩২), মো. মনির (২৫) ও রশিদের স্ত্রী ফাতেমা বেগম (৫০)। গিলাছড়ি এলাকায় স্বামী-স্ত্রীসহ তিনজন নিহত হয়। এরা হলেন দবির উদ্দিন (৮০) ও তার স্ত্রী খোদেজা বেগম (৬০) এবং অপরজন হলেন জনৈক মাওলানা ইছাকের স্ত্রী হাফিজা থাতুন (৭০)।  বেতবুনিয়ার ৯নং ওয়ার্ড রাউজান ঘোনা এলাকায় একই পরিবারের চারজন নিহত হয়েছে । এরা হলেন অংচিসিং মারমা (৫২), তার স্ত্রী আশেমা মারমা (৩৪), কন্যা তেনা মারমা (১২) ও পুত্র ক্যাথোয়াই মারমা(৭)। ঘাগড়া এলাকায় পৃথক তিনটি স্থানে তিনজন নিহত হয়েছেন। এরা হলেন, জনুমাছড়া এলাকার অমর শান্তি চাকমার মেয়ে বৈশাখী চাকমা (১৯), ঘাগড়া বাজার এলাকার মো. ছৈয়দের স্ত্রী নাছিমা বেগম (৬০) ও নোয়াপাড়া এলাকার মঙ্গল কুমার চাকমার স্ত্রী শোভারানী চাকমা (৫৫) এবং ফটিকছড়ি ইউনিয়নের ধুপছড়ি এলাকার কুজাই অং মারমার স্ত্রী নাইপ্রু মারমা(৪০)।
IMG1
সরজমিনে পরিদর্শনে দেখা যায়, কাউখালী বাজার এলাকা, পোয়াপাড়া, হাতিমারা, কাশখালী, কচুখালী, বেতছড়ি, গিলাছড়ি, জুনুমাছড়া, চম্পাতলী, ঘাগড়া বাজার এলাকা, চৌধুরী পাড়া, নাইল্যাছড়ি, তারাবুনিয়া, মাঝের পাড়া, বেতবুনিয়া, রাউজান ঘোনাসহ ফটিকছড়ি ইউনিয়নের বিস্তিন্ন এলাকার প্রায় পাচঁ হাজার ঘরবাড়ি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/ইউবি