চট্টগ্রাম সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আ.জ.ম নাছির উদ্দীন বলেছেন, চট্টগ্রাম মহানগরীর স্থায়ী জলাবদ্ধতা নিরসনে দুটি প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে। পানি উন্নয়ন বোর্ডের মাধ্যমে এ সমস্যা নিরসনে ইতিমধ্যে একটি উন্নয়ন পরিকল্পনা (ডিপিপি) মন্ত্রণালয়ে পাঠানো হয়েছে। অন্যদিকে চায়না পাওয়ার নামক একটি প্রতিষ্ঠানের ১১ মাস ধরে সম্ভাব্যতা যাচাই শেষে দেয়া প্রতিবেদনের আলোকে আরো একটি ডিপিপি মন্ত্রণালয়ের মাধ্যমে পরিকল্পনা মন্ত্রণালয়ে পৌঁছে। এ ব্যাপারে ২/১ দিনের মধ্যে একটি সিদ্ধান্ত আসতে পারে। পাঁচ হাজার কোটি টাকার এ প্রকল্পের মাধ্যমে চট্টগ্রাম মহানগরী জলাবদ্ধতা থেকে স্থায়ীভাবে মুক্তি পাবে বলে তিনি মনে করেন।
মঙ্গলবার নগরীর মহেষখালের ওপর নির্মিত বাঁধ অপসারণ পূর্ব সাংবাদিকদের কাছে তিনি এ কথা বলেন। এ সময় বন্দর চেয়ারম্যান রিয়ার এডমিরাল খালেদ ইকবালসহ স্থানীয় জনপ্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
মেয়র বলেন, সিটি কর্পোরেশনের অনুরোধে বাঁধটি বন্দর কর্তৃপক্ষ নির্মাণ করে। এখন জনগণের দাবির প্রতি সম্মান রেখে অপসারণ করা হচ্ছে। তিনি নগরীর আগ্রাবাদ এলাকায় জলাবদ্ধতার জন্য শুধুমাত্র বাঁধকে দায়ী করতে চান না।
তিনি বলেন, কিছুদিন পর দেখা যাবে, বাঁধ অপসারণের বিরোধীতা করা হচ্ছে। অতি বৃষ্টির কারণে ঢাকাসহ দেশের অন্যান্য অংশের ন্যায় চট্টগ্রাম শহরেও জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। নগরীর একেক এলাকা একেক কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। মহেষখাল এলাকায় জলাবদ্ধতা আর চাক্তাই এলাকা একই কারণে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয় না। এ সকল ভিন্ন কারণ চিহ্নিত করে সিটি কর্পোরেশন সমাধানে কাজ করছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
