খাগড়াছড়িতে ঝুঁকিপূর্ণ স্থান থেকে বসবাসকারীদের সরিয়ে নিচ্ছে প্রশাসন

আপডেট : ১৬ জুন ২০১৭, ১৭:৩৯
 
গত এক সপ্তাহ ধরে থেমে থেমে কখনো হালকা কখনো ভারী বৃষ্টিপাতের কারণে খাগড়াছড়ি জেলা শহরের বিভিন্ন এলাকায় ছোট বড় পাহাড়ে ধস দেখা দিয়েছে। এসব পাহাড় ধসের ঘটনা বসতিহীন পাহাড়ঞ্চলে যেমন ঘটছে তেমনি লোকালয়ে বিশেষ করে জেলা শহরের নির্দিষ্ট ঘনবসতিপূর্ণ পাড়া-গ্রামেও পাহাড় ধসের ঘটনা ঘটছে।
 
এদিকে অব্যাহত বৃষ্টিপাতের কারণে লোকালয়ে বড় ধরনের পাহাড় ধ্বসের আশঙ্কায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে শুরু করেছে খাগড়াছড়ি জেলা প্রশাসন। সম্ভাব্য পাহাড় ধসে প্রাণহানির আশঙ্কায় শুক্রবার সকাল থেকে স্থানীয় প্রশাসন ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারীদের আশ্রয় কেন্দ্রে নেয়ার উদ্যোগ গ্রহণ করে।
 
প্রশাসনের বিভিন্ন সূত্র থেকে প্রাপ্ত তথ্যে জানা গেছে, খাগড়াছড়িতে পাহাড় ধসের ঝুঁকিতে বসবাস করছে হাজারের অধিক পরিবার। গত বৃহস্পতিবার রাত থেকে ফের টানা বর্ষায় জেলা সদরের বিভিন্ন স্থানে ব্যাপক পাহাড় ধসের ঘটনার প্রেক্ষাপটে সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিশ শারমিনের নেতৃত্বে জেলা প্রশাসনের নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট, ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ জেলা শহরের কলাবাগান, ন্যান্সিবাজার, শালবন, হরিনাথ পাড়া গ্যাপ, আঠার পরিবার ইত্যাদি এলাকায় ঝুঁকিপূর্ণ স্থানে বসবাসকারী লোকজনকে আশ্রয়কেন্দ্রে সরিয়ে নিতে শুরু করে।
 
খাগড়াছড়ি সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এলিশ শারমিন জানান, বর্ষা শুরু হওয়ায় বিভিন্ন স্থানে পাহাড় ধস দেখা দিয়েছে। যাতে জানমালের ক্ষতি না হয় তার জন্যে লোকজনকে আশ্রয় কেন্দ্রে সরিয়ে নেয়া হচ্ছে। শালবনের জেলা প্রশাসনের একটি ডরমিটরি'কে আশ্রয় শিবির হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে। সেখানে আশ্রিতদের থাকা-খাওয়ার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/জামান