পঞ্চগড়ের বোদা উপজেলায় মসজিদের কমিটি গঠন করতে বলায় ও টাকার হিসেব চাওয়াকে কেন্দ্র করে দু'পক্ষের সংঘর্ষে আমিনুল রহমান (৫০) নামে এক সাবেক সেনা সদস্য নিহত হয়েছেন। শুক্রবার জুম্মার নামাজের পর উপজেলার সাকোয়া ইউনিয়নের নয়াদিঘী ইসলামপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এতে উভয়পক্ষের অন্তত ১০জন আহত হয়েছেন।
আহতদের বোদা উপজেলা স্বাস্থ্য কেন্দ্রে ভর্তি করা হয়েছে। নিহত আমিনুল ওই গ্রামের মৃত নজিমউদ্দিনের পুত্র। এ ঘটনায় পুলিশ অভিযুক্ত নুরুল ইসলামের পিতা এমাজউদ্দিন (৭৫), মাতা নাজিরা বেগম (৬০) ও ভাই নুরনবীর স্ত্রী শিরিন আক্তারকে আটক করেছে।
পুলিশ ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা গেছে, ওই মসজিদের সাধারণ সম্পাদক নুরুল ইসলাম দীর্ঘদিন ধরে টাকা পয়সার কোন হিসেব নিকেশ দিচ্ছে না। নতুন কমিটিও গঠন করছে না। সেনা সদস্য আমিনুল রহমান জুম্মার নামাজের পর সাধারণ সম্পাদককে নতুন কমিটি গঠন করতে এবং টাকা পয়সার হিসেব চায়।
জুম্মার নামাজের পর এ নিয়ে নুরুল ইসলাম ও আমিনুল রহমানের মধ্যে তর্কবিতর্ক শুরু হয়। এক পর্যায়ে নুরুল ইসলাম ও তার ভাই নুরনবীসহ পরিবারের লোকজন লাঠিসোটা নিয়ে আমিনুল রহমানকে বেধড়ক মারপিট শুরু করে। এ নিয়ে উভয় পরিবারের মধ্যে সংঘর্ষ বাঁধে। ঘটনাস্থলেই আমিনুল রহমান মারা যান।
বোদা থানার অফিসার ইনচার্জ (তদন্ত) আবু ছায়েম মিয়া মসজিদের কমিটি ও আয়-ব্যয়ের হিসেব চাওয়ায় নুরুল ইসলাম গংরা সেনা সদস্য আমিনুল রহমানকে পিটিয়ে হত্যা করে। এ ঘটনায় আমরা তিনজনকে আটক করেছি। হত্যা মামলা দায়েরের প্রস্তুতি চলছে বলে তিনি জানান।
ইত্তেফাক/জামান
