চট্টগ্রাম বিশ্ববিদ্যালয়ে (চবি) জননেত্রী শেখ হাসিনা হলে আসন বরাদ্দের দাবিতে মানববন্ধন ও বিক্ষোভ মিছিল করেছেন শিক্ষার্থীরা। গত বুধবার দুপুর ১২টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ মিনারের সামনে এ মানববন্ধন করেন তারা। মানববন্ধন শেষে একটি বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য বরাবর ৪ দফা দাবিতে একটি স্মারকলিপি দেন তারা। এ সময় চবি উপাচার্য অধ্যাপক ড. ইফতেখার উদ্দিন চৌধুরী তাঁর সভাকক্ষে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন এবং সামনের সপ্তাহের মধ্যে আসন বরাদ্দের কার্যক্রম চালু হবে বলে আশ্বাস দেন।
মানববন্ধনে বক্তারা বলেন, উদ্বোধনের সাড়ে তিন বছর পার হলেও আমরা আসন বরাদ্দ পাইনি। আমাদের বিশ্ববিদ্যালয়ের আশপাশে বিভিন্ন কটেজে বেশি ভাড়া দিয়ে থাকতে হচ্ছে। আমাদের কোনো সমস্যার কথাও বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন শোনে না। হলের কাজ শেষ হয়েছে তাই আমরা দ্রুত আসন বরাদ্দ চাই। আর মৌখিক আশ্বাসের ভরসায় থাকতে চাই না। বক্তারা আরো বলেন, হল তৈরি করা হয় শিক্ষার্থীদের জন্য কিন্তু এতদিনে শিক্ষার্থীদের থাকার ব্যবস্থা করতে না পারলেও হলের কার্যক্রম চলছে ঠিকই এবং সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা-কর্মচারীরা সুবিধা নিচ্ছেন। পদার্থবিদ্যা বিভাগের শিক্ষার্থী আশরাফী নীতুর সঞ্চালনায় যোগাযোগ ও সাংবাদিকতা বিভাগের আকলিমা আক্তার, উদ্ভিদবিদ্যা বিভাগের সুবর্ণা আক্তার ফাল্গুনি, শিক্ষা ও গবেষণা ইন্সটিটিউটের আরিফ শাহরিয়ার ও একই বিভাগের নিশাত নাওয়াল রাফা এতে বক্তব্য দেন।
উপাচার্য বরাবর ৪ দফা দাবির স্মারকলিপিতে বলা হয়েছে, পরবর্তী দুই কার্যদিবসের মধ্যে জননেত্রী শেখ হাসিনা হলের ছাত্রীদের আসন বরাদ্দের জন্য ফরম বিতরণসহ প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাদি গ্রহণ করতে হবে।
উল্লেখ্য, ২০১৫ সালের ৮ অক্টোবর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে জননেত্রী শেখ হাসিনা হলটি উদ্বোধন করেন। এর দেড় বছর পর ২০১৭ সালের মে মাস থেকে এতে আসন বরাদ্দ না দিয়ে হলের উর্ধ্বমুখী সমপ্রসারণের কাজ শুরু করে।
