সুন্দরগঞ্জে তিস্তার পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই

আপডেট : ১১ জুলাই ২০১৭, ১৮:০১
 
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় বর্ষা ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে তিস্তা নদীর পানি বিপদসীমা ছুঁই ছুঁই করছে। ৩০ হাজার লোক পানিবন্দি হয়ে পড়েছে।
 
জানা গেছে, সোমবার দিবাগত রাত থেকে তিস্তার পানি পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বন্যা পরিস্থিতির অবনতি হয়ে পড়েছে। বন্যা কবলিত এলাকা গুলো হচ্ছে তারাপুর, বেলকা, হরিপুর, চণ্ডিপুর, কাপাসিয়া, শ্রীপুর ও শান্তিরাম। পানি উন্নয়ন বোর্ডের উপ-সহকারী প্রকৌশলী জানান, তিস্তার পানি যে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে তাতে আগামী ৬ ঘণ্টার মধ্যে বিপদসীমা অতিক্রম করার সম্ভাবনা রয়েছে।
 
এতে করে সাতটি ইউনিয়নের ৩০ হাজার মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। ইতিমধ্যে অনেকে পরিবার পানিবন্দি হয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। অনেকে আশ্রয় কেন্দ্র, শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, উঁচু স্থান ও পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়ি বাঁধে আশ্রয় নিয়েছে। বিশেষ করে শিশু ও গবাদি পশু হাস-মুরগী নিয়ে চরম বিপাকে পড়েছে পানিবন্দি পরিবারগুলো।
 
এদিকে পানিবন্দি পরিবারের অনেক ঘরের চালে ও মাচা পেতে অবস্থান করছে। কাপাসিয়া ইউপি চেয়ারম্যান জালাল উদ্দিন ও চণ্ডিপুর ইউপি প্যানেল চেয়ারম্যান রাশেদুল ইসলাম জানান তার ইউনিয়নের আট ওয়ার্ডের সবগুলো পরিবারেই পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিসার (ভারপ্রাপ্ত) মীর শামছুল আলম জানান, বন্যা পরিস্থিতি অবনতি হওয়ায় ২১ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান কার্যক্রম সম্পূর্ণরুপে বন্ধ হয়ে পড়েছে। উপজেলার নির্বাহী অফিসার এস.এম. গোলাম কিবরিয়া জানান, সরকারিভাবে এপর্যন্ত ২০ মেট্রিক টন চাল এবং দেড় লাখ টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। বরাদ্দের জন্য ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের নিকট পত্র প্রেরণ করা হয়েছে।
 
ইত্তেফাক/জামান