পলাশ কান্তি মজুমদার, শিক্ষক
চাঁদপুর জনতা হাইস্কুল এন্ড কলেজ, কুমিল্লা
প্রিয় শিক্ষার্থী ও শিক্ষকবৃন্দ প্রীতি ও শুভেচ্ছা রইল। বর্তমানে শ্রেণি পাঠদানে যুক্ত হয়েছে মাল্টিমিডিয়া। তাই ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরি করতে শেখা এখন সময়ের দাবি। শুধু তাই নয় বর্তমান সময়ে যেকোনো প্রেজেন্টেশন দিতে গেলে মাইক্রোসফট পাওয়ার পয়েন্ট প্রেজেন্টেশন এর বিকল্প নেই। এইজন্যে শিক্ষা মন্ত্রণালয় নানা উদ্যোগ নিয়ে শিক্ষকদের আইসিটি বিষয়ক প্রশিক্ষণের আওতায় এনেছেন। কিন্তু তা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। অথচ প্রত্যেক শিক্ষকেরই ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরিও ক্লাসরুম পরিচালনার জন্য কিছু প্রাথমিক জ্ঞান থাকা দরকার। তাই ডিজিটাল কন্টেন্ট তৈরির বেসিক বিষয়গুলো নিয়ে ধারাবাহিকভাবে আলোচনা করা হচ্ছে অনুশীলন পাতায়।
২. আইকন (Icon):আইকন এমন একটি ছোট ছবির মত যাহা প্রোগ্রাম, ডকুমেন্ট এবং শর্টকাটগুলিকে সহজে খুঁজে বের করে। আপনি আইকনের উপর ক্লিক করলে ফাইল বা প্রোগ্রাম খুলতে পারবেন। সবচেয়ে সহজে স্বীকৃত আইকনটি হলো নীচের গ্রাফিকের রিসাইকেল বিন। ৩. ফাইল(File): একটি ওয়ার্ড ডকুমেন্ট, একটি স্প্রেডশীট, একটি ছবি, গ্রাফিক, একটি গান বা এমনকি একটি অ্যাপ্লিকেশন প্রোগ্রামের অংশ ফাইলে অন্তর্ভুক্ত হতে পারে। উদাহরণ স্বরূপ বলা যায় ফাইলে একটি চিঠি বা একটি প্রতিবেদন বা একটি পাঠ্যবই এবং একটি ছবিও ফাইলের অন্তর্ভুক্ত হতে পারে।
৪. ফোল্ডার (Folder):কতকগুলো ফাইল একত্রে এক জায়গায় রাখার প্রোগ্রামকে ফোল্ডার বলে। যেমন: আপনার অফিসের যেকোনো ওয়ার্ড ফাইল, হিসাব-নিকাশের এক্সেল ফাইল বা ডাটাবেইজ এর ফাইল একত্রে এক জায়গায় রাখার পদ্ধতিই হলো ফোল্ডার।
৫. My Computer /this PC: একটি আইকন যা হার্ড ড্রাইভ এবং প্রিন্টারের মতো দেখতে। এটি একটি ফোল্ডার যার মধ্যে কম্পিউটারে সমস্ত আইকনগুলির একটি ফোল্ডারে রাখা আছে।
Note: আমাদের Hard Drive এর দৃশ্যমান বহি:প্রকাশই হচ্ছে My Computer/My PC যাহা এখানে Hard Drive এর ধারণ ক্ষমতার উপর ভিত্তি করে কয়েকটি ড্রাইভে ভাগ করা হয়। যেমন: (C:) Drive, (B:) Drive, (E:) Drive ইত্যাদি। এই Drive গুলোতে আমাদের যাবতীয় কাজের ফাইলও ফোল্ডারগুলো জমা থাকে।
