রামগঞ্জে দুই গ্রুপের সংঘর্ষে আহত ১০

আপডেট : ২২ জুলাই ২০১৭, ১৭:১০
 
লক্ষ্মীপুরের রামগঞ্জে নোয়াগাঁও ইসলামীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে ছাত্রলীগ ও মাদ্রাসা ছাত্রদের মধ্যে দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়েছে। ওই ঘটনায় উভয় পক্ষের ১০জন আহত হয়েছেন। ঘটনাটি ঘটেছে শনিবার সকালে উপজেলার নোয়াগাঁও ইসলামীয়া মাদ্রাসা প্রাঙ্গণে।
 
ওই সংঘর্ষের ঘটনায় মাদ্রাসার পঞ্চম, অষ্টম, দশম শ্রেণির মডেল টেস্ট পরীক্ষা পণ্ড হয়ে গেছে। খবর পেয়ে রামগঞ্জ থানার এস আই মনির হোসেন ফোর্স নিয়ে ঘটনাস্থলে পৌঁছুলে পুলিশের উপর হামলার চেষ্টা করলে পুলিশও পাল্টা লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
 
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, উপজেলার নোয়াগাঁও ইসলামীয়া মাদ্রাসা মসজিদের ইমাম ও মাদ্রাসার শিক্ষক মো. আবু ইউসুফ খুদবা পাঠ করার সময় সরকার বিরোধী বক্তব্য রাখায় শুক্রবার জুমার নামাজের পর নোয়াগাঁও ইউনিয়নের চেয়ারম্যান হোসেন রানা ও তার লোকজন কর্তৃক লাঞ্ছিতের স্বীকার হয়।
 
একপর্যায়ে এসংবাদ শনিবার সকালে মাদ্রাসার শিক্ষার্থীর মধ্যে ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয় চেয়ারম্যান রানার লোকজন ও মাদ্রাসার শিক্ষার্থীদের মধ্যে দফায় সংঘর্ষ শুরু হয়। এসময় মাদ্রাসার ছাত্র নূর আলম, ছিদ্দিকুর রহমান, আ. রহিম মো. সালাইমান, আবদুল কাদের, মো. সুজন, অভিভাবক জাকির হোসেন মাসুদ, আলমগীর হোসেন সহ ১০জন আহত হয়েছে।
 
আহতদের স্থানীয়ভাবে চিকিৎসা দেওয়া হচ্ছে। খবর পেয়ে রামগঞ্জ থানার পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণের চেষ্টা করলে স্থানীয় নোয়াগাঁও হাজী বাড়ির মো. নোমান তার লোকজন নিয়ে উত্তেজিত হয়ে পুলিশের উপর হামলা ও অস্ত্র চিনিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশ তাৎক্ষনিক এলোপাথাড়ি পিটিয়ে লাঠিচার্জ করে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনতে সক্ষম হয়।
 
রামগঞ্জ থানা ওসি মো. তোতা মিয়া জানান, অভিযোগ পেলে ঘটনার সাথে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
 
ইত্তেফাক/জামান