কচুয়া পৌর এলাকার কোঁয়া চাঁদপুরে ভূমি দখলদারদের আগ্রাসনে বহু একর আউস-আমন জমির ধান জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে বিনষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, কোঁয়া-চাঁদপুর গ্রামের আবু তাহের কন্ট্রাক্টর পানি নিষ্কাশনের কালভার্টের পথ বন্ধ করে বিশাল বেড়ি বাঁধ বেঁধে মাছ চাষ করে আসছে। এর উত্তরদিকে বালিয়াতলি গ্রামের সুফিয়ান মাস্টার ও মজিবুল হক (মজু) ও বেড়ি বাঁধ বেঁধে একইভাবে পানি নিষ্কাশনের পথ বন্ধ করে মাছ চাষ করছে। ফলে, বাতাবাড়িয়া, কাবিলাপাড়া, চক মোহাম্মদপুর ও কোঁয়া চাঁদপুরসহ পাঁচটি গ্রামের অনেক কৃষকের বহু একর জমি জলাবদ্ধতায় ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে।
এছাড়া কোঁয়া চাঁদপুর পশ্চিমপাড়া বাইতুল জামে মসজিদের কিছু অংশসহ জয়নাল আবদীন (জনু) নামে আরেক ব্যক্তি পানি চলাচলের পথ বন্ধ করে কালভার্টের উপর বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছে। এ স্থানে কালভার্টের অস্তিত্ব নেই বললেই চলে। কোঁয়া চাঁদপুর গাজীর পুল নামে পরিচিত এসব এলাকার পানি নামার খালের উত্তর পাড়ে আলফাজ উদ্দিন কালভার্টের পথ বন্ধ করে বাড়ি নির্মাণ করেছে। আলফাজ উদ্দিনের ছেলে আমির হোসেন (আমু) জানান, আমাদের সম্পত্তির উপর পানি নিষ্কাশনের কালভার্ট করার সময় আমরা বাধা দিলেও তারা কেউ শোনেনি। এখন আমরা নিজস্ব সম্পতির উপরই বাড়ি-ঘর নির্মাণ করে বসবাস করে আসছি।
স্থানীয় কৃষকদের মধ্যে রুহুল আমিন ও এবায়েদ উল্লাহ জানান, জলবদ্ধতার বিষয়টি আমরা কচুয়া উপজেলা নির্বাহী ও সহকারী কমিশনার কর্মকর্তাকে বেশ কয়েকবার লিখিতভাবে অবগত করানোর পরেও কোনো সুফল পাইনি।
এ ব্যাপারে কচুয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নীলিমা আফরোজ জানান, আমি সহসাই স্থানীয় তহসিলদার নিয়ে সরেজমিনে গিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেব।
ইত্তেফাক/নূহু
