মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রী আ ক ম মোজাম্মেল হক বলেছেন, শেখ হাসিনার নেতৃত্বাধীন সরকার মুক্তিযোদ্ধাদের সর্বোচ্চ মর্যাদা দিয়েছে। প্রত্যেক উপজেলায় মুক্তিযোদ্ধা পল্লী করা হবে। আগামী তিন মাসের মধ্যে মুক্তিযোদ্ধাদের বাড়ি বাড়ি গিয়ে তাদের ভাতা পৌঁছে দেওয়া হবে। ঈদুল আজহার আগেই তিন মাসের ভাতা-বোনাস প্রত্যেকের হাতে তুলে দেওয়া হবে।
তিনি বলেন, অস্বচ্ছ্বল মুক্তিযোদ্ধাদের বিনা মূল্যে চিকিৎসাসেবা ও তাদের সন্তানদের শিক্ষা ও বিবাহের ব্যয়ভার বহন করা হবে। সনদ প্রত্যায়ন, গেজেট ও অন্যান্য বিষয়ের জন্য কোনো মুক্তিযোদ্ধাকে আর মন্ত্রণালয় যেতে হবেনা। সকল তথ্য ওয়েবসাইটে দেওয়া হয়েছে। নিজ নিজ উপজেলা থেকেই এসব সুবিধা ভোগ করতে পারবেন মুক্তিযোদ্ধারা।
বুধবার দুপুরে বাগেরহাটের শরণখোলায় মুক্তিযোদ্ধা কমপ্লেক্স ভবন উদ্বোধন ও মুক্তিযোদ্ধাদের সাথে মতবিনিময় সভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মন্ত্রী এসব তথ্য তুলে ধরেন।
মন্ত্রী বলেন, আওয়ামী লীগ জনগণের সরকার। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দারিদ্র বিমোচনে বাংলাদেশ এখন বিশ্বের দরবারে রোল মডেল। তাই আওয়ামী লীগকে ক্ষমতায় আনতে মুক্তিযোদ্ধাদের আরেকবার গর্জে উঠতে হবে। পদ্মা সেতুর কাজ দ্রুত এগিয়ে চলেছে। সেতু বাস্তবায়ন হলে দক্ষিণাঞ্চল আর অবহেলিত থাকবেনা। এছাড়া, আগামী বছর থেকে পাঠ্যপুস্তকে মুক্তিযুদ্ধের গৌরবোজ্জল স্মৃতি এবং পাক হানাদার বাহিনীর পৈশাচিকতার ন্যাক্কারজনক ইতিহাস লিপিবব্ধ করা হবে।
তিনি আরো বলেন, খালেদা জিয়া নির্বাচন বাঞ্চাল করতে ষড়যন্ত্র চালিয়ে যাচ্ছে। তারা সেনাবাহিনীর কাঁধে ভর করে পেছনের দরজা থেকে ক্ষমতায় এসেছিল। এখন আবার সেই ষড়যন্ত্র শুরু করেছে। এজন্য দেশের উন্নয়নের স্বার্থে সকলকে ঐক্যব্ধ হয়ে আওয়ামী লীগকে আবার ক্ষমতায় আনতে হবে।
ইত্তেফাক/এমআই
