খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) এলাকার ২২ নম্বর ওয়ার্ডে স্মার্ট জাতীয় পরিচয়পত্র বিতরণ কেন্দ্রে স্থানীয় আওয়ামী লীগ নেতাকর্মীরা হামলা ও ভাঙচুর চালিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বুধবার দুপুরে জিলা স্কুলের স্মার্ট কার্ড বিতরণ ক্যাম্পে এ হামলা ঘটনা ঘটে। এতে কিছু সময়ের জন্য কার্ড বিতরণ বাধাগ্রস্ত হয়। পরে পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও নির্বাচন কমিশন সূত্র জানায়, বুধবার দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে স্থানীয় ২২ নম্বর ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক গোলাম কিবরিয়া রতনের নেতৃত্বে পলাশ, শাহ আলম, আল-আমিনসহ ১২/১৩ জন নেতাকর্মী জিলা স্কুলে স্মার্ট কার্ড বিতরণ ক্যাম্পে যান। সেখানে তারা লাইন ভঙ্গ করে কার্ড সংগ্রহের চেষ্টা করলে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা বাধা দেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে তারা ক্যাম্পে বৃদ্ধ-প্রতিবন্ধী ও নারীদের বসার জন্য রাখা চেয়ার ভাঙচুর ও পুলিশ সদস্যের লাঞ্ছিত করেন। খবর পেয়ে আরও পুলিশ এসে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করে।
স্থানীয় ওয়ার্ড বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদ কামাল টিটু অভিযোগ করে বলেন, 'আমরা কার্ড প্রদান কেন্দ্রে দাঁড়িয়েছিলাম। আকষ্মিকভাবে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদকের নেতৃত্বে ১২/১৩জন আমাদের এখান থেকে বের হয়ে যেতে বলে ও ধাক্কা দেয়। এ সময় পুলিশ বিষয়টি জানতে চাইলে তারা ওই পুলিশকেও ধাক্কা মারে। পরে সেখানে তারা ভাঙচুর করে।'
বিষয়টির সত্যতা নিশ্চিত করে খুলনা সদর থানা নির্বাচন কর্মকর্তা শামীম আহমেদ বলেন, 'বিষয়টি জেনে আমরা দ্রুত আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে জানিয়েছি। তবে কার্ড বিতরণ কাজে ব্যবহৃত কোন কিছুর ক্ষয়ক্ষতি হয়নি।'
এ ব্যাপারে খুলনার সদর থানার ওসি এস এম মিজানুর রহমান বলেন, 'হামলা নয়, সেখানে একটু বাকবিতণ্ডার ঘটনা ঘটেছিল। পুলিশ পরে তাদের বের করে দিয়েছে।' তবে এ বিষয়ে জানতে ওয়ার্ড আওয়ামী লীগ নেতা গোলাম কিবরিয়া রতনের মোবাইলফোনে যোগাযোগ করা হলেও তার কোন বক্তব্য পাওয়া যায়নি।
ইত্তেফাক/জামান
