চকরিয়ায় বন্যায় ৫৮কিলোমিটার সড়ক ভেঙে গেছে

আপডেট : ০৫ আগস্ট ২০১৭, ১৭:১৬
 
জুলাই মাসে অব্যাহত ভারী বর্ষা ও কয়েকদফা বন্যার কারণে কক্সবাজারের চকরিয়ায় সড়ক বিভাগের আওতাভুক্ত ৯টি সড়কের ৫৮ কিলোমিটার রাস্তা ভেঙে গেছে।
 
বেশিরভাগ সড়কে সৃষ্টি হয়েছে অসংখ্য খানা-খন্দ, এমনকি কয়েকটি সড়কে ভাঙা অংশ রীতিমতো পুকুরে পরিণত হয়েছে। বন্যার পর চকরিয়া সড়ক বিভাগের পক্ষ থেকে ৯টি সড়কের অধীন ২৪ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার সড়ক সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত ও ৩৪ কিলোমিটার সড়ক আংশিক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে শনাক্ত করে কক্সবাজার সড়ক বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলীর মাধ্যমে ঊর্ধ্বতন প্রশাসনে একটি প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে।
 
অভিযোগ উঠেছে, ক্ষয়ক্ষতির প্রতিবেদনটি পাঠানোর পর একমাস সময় অতিবাহিত হলেও এখনো ক্ষতিগ্রস্ত এসব সড়ক মেরামতে কোন ধরণের উদ্যোগ নেয়নি সড়ক বিভাগ। এ অবস্থার কারণে বর্তমানে কক্সবাজার-চট্টগ্রাম মহাসড়ক, বরইতলী মগনামা সড়ক, চিরিঙ্গা-বদরখালী-মহেশখালী সড়ক, টেইটং থেকে লালব্রিজ পর্যন্ত এবিসি সড়ক (আঞ্চলিক মহাসড়ক), চিরিঙ্গা জনতা মার্কেট-বেতুয়া বাজার-বাঘগুজারা সড়ক, ইয়াংছা-মানিকপুর-শান্তিবাজার, জিদ্দাবাজার-মাঝেরফাড়ি সড়ক, একতা বাজার-পহরচাঁদা সড়কসহ বেশির ভাগ সড়ক চলাচল অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। ফলে গত একমাস ধরে এসব সড়ক দিয়ে সব ধরণের যানবাহন ও জনসাধারণ চলাচলে সীমাহীন দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে।
 
চকরিয়া সড়ক উপ-বিভাগের শাখাকর্মকর্তা (এসও) আবু আহসান মো.আজিজুল মোস্তাফা বলেন, চকরিয়া সড়ক বিভাগের অধীন ২৪ দশমিক পাঁচ কিলোমিটার সড়ক সম্পূর্ণ ৩৪ কিলোমিটার সড়ক আংশিক ক্ষতি হয়েছে শনাক্ত করা হয়েছে। সম্পূর্ণ ক্ষতিগ্রস্ত প্রতি কিলোমিটার সড়ক তৈরিতে ৪০ লাখ টাকা ও আংশিক প্রতি কিলোমিটার সড়ক তৈরিতে ১২লাখ টাকা ব্যয় নির্ধারণ করে এসব সড়ক মেরামতে সর্বমোট ১৫ কোটি টাকার বরাদ্দের প্রয়োজন আছে তুলে ধরে ইতোমধ্যে একটি প্রতিবেদন নির্বাহী প্রকৌশলীর দফতরে পাঠানো হয়েছে।
 
চকরিয়া উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি আলহাজ জাফর আলম বলেন, বন্যার তাণ্ডবে ক্ষতিগ্রস্ত উপজেলার সড়ক-উপসড়ক সমূহ দ্রুত সময়ে মেরামতের জন্য ইতোমধ্যে সংশ্লিষ্ট প্রশাসনকে তাগাদা দেয়া হয়েছে। তারপরও জনদুর্ভোগ লাগব নিশ্চিত করতে ক্ষতিগ্রস্ত সড়কের সংস্কার কাজ বাস্তবায়নে নির্বাহী প্রকৌশলীর সাথে কথা বলা হবে।
 
ইত্তেফাক/জামান