চৌমুহনী শহরসহ বেগমগঞ্জের ওপর দিয়ে প্রবাহিত একাধিক খালে ময়লা আবর্জনা ও ঘাস জন্মানোর ফলে পানির প্রবাহ প্রায় বন্ধ হয়ে গেছে। পানি নিষ্কাশন না হতে পেরে পুরো বেগমগঞ্জে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। দিন দিন তা স্থায়ী রূপ নিয়েছে। ফলে জলাবদ্ধতার কবলে পড়ে বেগমগঞ্জের মানুষ চরম দুর্ভোগ পোহাচ্ছে।
চৌমুহনী শহর ও বেগমগঞ্জ উপজেলার বিভিন্ন এলাকার বাসিন্দাদের অভিযোগে জানা যায়, বেগমগঞ্জ উপজেলায় কোন নদী না থাকায় শহরের মধ্যদিয়ে প্রবাহিত বেশ কয়েকটি ছোট বড় খাল দিয়ে পানি নেমে এসে নোয়াখালী খালের মাধ্যমে মেঘনা নদীতে নিষ্কাশন হয়। শুধু বেগমগঞ্জ উপজেলা নয়, সেনবাগ, সোনাইমুড়ী ও চাটখিল উপজেলার পানিও বেগমগঞ্জের ওপর দিয়ে নোয়াখালী খালে এসে পড়ে। কিন্তু বেগমগঞ্জে বেশ কয়েকটি খাল দখলকারীদের গ্রাসে।আবার অনেক স্থানে খাল ভরাট হয়ে গেছে। বিশেষ করে চৌমুহনী শহরের ওপর দিয়ে প্রবাহিত আটিয়াবাড়ি ছাতারপাইয়া খাল, চৌমুহনী তুলাতলী খাল পাইকারি হারে ভরাট করে দখলকারীরা দোকানপাট, বহুতল ভবন করায় পানি চলাচলে প্রতিবন্ধকতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে বেগমগঞ্জ ছাড়াও সেনবাগ, চাটখিল থেকে নেমে আসা পানি নিষ্কাশন না হতে পেরে বেগমগঞ্জে মারাত্মক জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে জনদুর্ভোগ চরমে পৌঁছে। জলাবদ্ধতার কারণে অনেক বছর থেকে উপজেলাগুলোতে আউশ, আমন ও রবি ফসল হয়না। খালের এ আবর্জনা ও ঘাসের স্তূপ অপসারণ করে এবং অবৈধ দখলকারীদের হাত থেকে খাল দখলমুক্ত করতে প্রশাসন বা অন্য কেউ তেমন উদ্যোগ নিচ্ছে না।
এ ব্যাপারে বেগমগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী অফিসার ফরিদা খানমের সাথে যোগাযোগ করলে তিনি জানান, চৌমুহনী শহরের বড় পোলের নিকট আবর্জনা অপসারণের কাজে হাত দিয়েছি।
ইত্তেফাক/এমআর
