গত কয়েক দিনের টানা বর্ষণ ও পাহাড়ি ঢলে পানিবন্দি হয়ে পড়েছে জেলার তাহিরপুর, দোয়ারাবাজার, বিশ্বম্ভরপুর, জামালগঞ্জ, ছাতক ও সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার লাখ লাখ মানুষ। বিধ্বস্ত হয়ে পড়েছে জেলা সদরের সঙ্গে বিভিন্ন উপজেলার সড়ক যোগাযোগ ব্যবস্থা।
জেলার সুরমা, যাদুকাটা, রক্তি, খাসিয়ামারা, চেলা, চলতি ও পাটলাইসহ হাওরের পানি ব্যাপকভাবে হারে বৃদ্ধি পাচ্ছে। পানি উন্নয়ন বোর্ড জানিয়েছে বর্তমানে বিভিন্ন নদ-নদী ও হাওরের পানি বিপৎসীমার ৭৫ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে।
সুনামগঞ্জ সদর উপজেলার তেঘরিয়া, নতুনপাড়া ও নবীনগর এলাকার রাস্তা ডুবে যাওয়ায় যান চলাচল বন্ধ হয়ে গেছে। এ ছাড়া জেলার বিভিন্ন উপজেলার ছোট-বড় পুকুরে চাষকৃত পোনামাছ পানিতে ভেসে গেছে। হাওর এলাকাগুলোতে দেখা দিয়েছে গো-খাদ্যের সংকট। জেলা শহরের সঙ্গে বেশির ভাগ উপজেলার সড়ক যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন রয়েছে। পানির পরিমাণ যত বৃদ্ধি পাচ্ছে হাওর এলাকার দ্বীপ সাদৃশ্য গ্রামগুলোতে বসবাসকারী অসহায় মানুষগুলোর মাঝে উদ্বেগ আর উৎকণ্ঠা ততোই বাড়ছে।
জেলা প্রশাসক মো. সাবিরুল ইসলাম বলেন, বন্যা মোকাবেলায় মানুষের পাশে থাকতে জেলা প্রশাসন সকল প্রকার উদ্যোগ গ্রহণ করেছে। ইতোমধ্যে সকল উপজেলায় আশ্রয় কেন্দ্র খোলা নির্দেশ দেয়া হয়েছে। নৌকাসহ সকল লজিস্টিক সাপোর্টের ব্যবস্থা রয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
