কয়েকদিনের টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পানিতে ঘোড়াঘাট উপজেলার দুইটি ইউনিয়ন বন্যার পানিতে প্লাবিত হয়েছে। গৃহ ছাড়া হয়েছে প্রায় ১০ হাজার পরিবার। নষ্ট হয়েছে প্রায় ৬ হাজার হেক্টর জমির আমন ধান। একই সঙ্গে হাজার হাজার জমির বেগুন, মরিচ, করলা, পটল ও অন্যান্য সবজি ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।
সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উপজেলার পাশ দিয়ে প্রবাহিত করতোয়া নদীর তীরবর্তী শালিকাদহ, শ্রীচন্দ্রপুর, কুলানন্দপুর,পারবতীপুর, কৃষ্ণরামপুর, ডাঙ্গা, মারুপাড়া, ভেলামারী, সাতপাড়া, ভর্ণাপাড়া, খাইরুল, ঋষিঘাট, গোবিন্দপুর, চাদপাড়া, শেখালীপাড়া, গুয়াগাছি, মগলিশপুর, তেকানী, ঘনকৃষ্ণপুর, কাদিমনগর, বালুপাড়া, চম্পাতলীসহ অনেক গ্রাম পানির নিচে। এসব গ্রামের পরিবারগুলো অন্যত্র চলে যাচ্ছে। বন্যার পানি প্রতিদিনই প্রখরভাবে বাড়ছে। বিপদে পড়েছে গবাদি পশু নিয়ে।
রবিবার ও সোমবার উপজেলা চেয়ারম্যান শাহ মো. শামীম হোসেন চৌধুরী উপজেলা নির্বাহী অফিসার টিএমএ মমিন বন্যা কবলিত গ্রাম খাইরুল ও কুলানন্দপুরসহ বিভিন্ন গ্রাম পরিদর্শন করেছেন। নির্বাহী অফিসার জানান, ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ এখনও নিরুপন করা সম্ভব হয়নি। তবে বন্যার্তদের সার্বিক সহযোগিতার জন্য কাজ করা হচ্ছে। ইতিমধ্যে মেডিকেল টিম গঠন করা হয়েছে।
অপরদিকে, দিনাজপুর-৬ আসনের সংসদ সদস্য শিবলী সাদিক রবিবার সন্ধ্যায় উপজেলার রাণীগঞ্জ দলীয় কার্যালয়ে এক সভায় বন্যার্তদের পাশে দাঁড়ানোর জন্য দলের নেতাকর্মীদের নির্দেশ দিয়েছেন। যথাসময়ে তাদের মধ্যে ত্রাণ সামগ্রী পৌঁছানোরও আশ্বাস দিয়েছেন।
ইত্তেফাক/কেকে
