সুন্দরগঞ্জে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত, লক্ষাধিক মানুষ দুর্ভোগে

আপডেট : ১৪ আগস্ট ২০১৭, ১৫:৪১
গাইবান্ধার ‍সুন্দরগঞ্জ উপজেলায় টানা বর্ষণ ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে গত ৩ দিনে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হওয়ায় লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। গত কয়েক দিন থেকে বন্যায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপদ সীমার ৩ সে. মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হওয়ায় ১০টি ইউনিয়নে লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছে। 
 
এলাকা গুলো হচ্ছে, কাপাসিয়া, হরিপুর, শ্রীপুর, বেলকা, তারাপুর, কঞ্চিবাড়ি, চন্ডিপুর, দহবন্দ, ছাপড়হাটী, শান্তিরাম। পানি বন্দি মানুষ গরু, ছাগল, হাস মুরগীসহ পানি বন্দি হয়ে ও আশ্রয় কেন্দ্র, বন্যা নিয়ন্ত্রণ বেড়িবাঁধ ও উচু স্থানে আশ্রয় নিয়ে মানবেতর জীবন যাপন করছে। সেই সাথে দেখা দিয়েছে  খাদ্য, বিশুদ্ধ পানি, ওষুধপত্রসহ নিত্য প্রয়োজনীয় জিনিষের তীব্র সংকট। উপজেলা কৃষি অফিস সুত্র জানায় বন্যায় ১ হাজার ৯’শ হেক্টর আমন ধান, ১’শ ৬৭ হেক্টর শাক সবজি, ১’শ ৩১ হেক্টর  বীজতলা পানিতে নিমজ্জিত হয়ে পড়েছে। অর্ধ শতাধিক শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষা কার্যক্রম বন্ধ রয়েছে।
 
পানি উন্নয়ন বোর্ড গাইবান্ধা সুত্রে জানা গেছে সুন্দরগঞ্জ এলাকায় তিস্তা ও ব্রহ্মপুত্র নদের পানি বিপদ সীমার ৩ সেঃ মিঃ উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া জানান, ইতোমধ্যে বন্যার্তদের জন্য ১০০ মেঃ টঃ চাল ও ১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ  পাওয়া গেছে। যা প্রয়োজনের তুলনায় অপ্রতুল। সোমবার এমপি গোলাম মোস্তফা আহম্মেদ, উপজেলা নির্বাহী অফিসার এসএম গোলাম কিবরিয়া, উপজেলা প্রকল্প বাস্তবায়ন কর্মকর্তা নুরুন্নবী সরকার ও ইউপি চেয়ারম্যান আমিনুল ইসলাম লেবু তারাপুর ইউনিয়নের বন্যা দুর্গত মানুষের মাঝে ত্রান বিতরণ করেন।
 
ইত্তেফাক/ রেজা