টানা বর্ষণ এবং উজান থেকে নেমে আসা ঢলে গাইবান্ধায় ব্রহ্মপুত্রসহ প্রধান প্রধান নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি অব্যাহত থাকায় ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধগুলো। বন্যায় এ পর্যন্ত গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জ, ফুলছড়ি, সাঘাটা ও সদর উপজেলার ২৬টি ইউনিয়নের লক্ষাধিক মানুষ পানিবন্দি হয়ে পড়েছেন।
এদিকে বন্যার পানি উঠায় ১১২টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ ঘোষণা করা হয়েছে। শত শত পাটের জাগ ও কয়েক হাজার পুকুরের মাছ ভেসে গেছে। ডুবে গেছে আমন বীজতলা, আমন ক্ষেতসহ নানা ধরণের সবজির ক্ষেত।
গাইবান্ধা পানি উন্নয়ন বোর্ডের নির্বাহী প্রকৌশলী মাহাবুবুর রহমান জানান, সোমবার তিস্তামুখ ঘাট পয়েন্টে ব্রহ্মপুত্রের পানি বৃদ্ধি পেয়ে বিপৎসীমার ৭৮ সে.মি. এবং ঘাঘট নদীর পানি গাইবান্ধা শহর পয়েন্টে ৬৮ সে.মি. উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। করতোয়া ও তিস্তা নদীর পানি এখন বিপদসীমা ছুই ছুই অবস্থা। পানির প্রবল চাপে ব্রহ্মপুত্র বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ফুলছড়ি উপজেলার সিংড়িয়া-রতনপুর, বালাসীঘাটের কাইয়াঘাট ও শহর রক্ষা বাঁধের খোলাহাটি, চকমামরোজপুরসহ বেশ কয়েকটি পয়েন্ট ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে।
গাইবান্ধা জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা আমিনুল ইসলাম মণ্ডল জানান, বিদ্যালয় চত্বর ও কক্ষে পানি উঠায় জেলায় ১০৫টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাঠদান বন্ধ রাখা হয়েছে।
ইত্তেফাক/ইউবি
