নদীগর্ভে বিলীন শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরসহ সাড়ে ৪’শ ঘরবাড়ি

আপডেট : ১৬ আগস্ট ২০১৭, ১৮:২৬
উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢল ও অতিবর্ষণে তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলগুলোতে সৃষ্টি হওয়া বন্যার পানি কমায় ব্যাপকভাবে ভাঙন শুরু হয়েছে।
 
গঙ্গাচড়ার কোলকোন্দ ইউনিয়নের সাউদ পাড়া, আলম বিদিতর এর পাইকান ব্যাঙপাড়া, হাজিপাড়া এবং নোহালী ইউনিয়নের চর নোহলী, বাঘডোহরার চর ও লক্ষ্মীটারী ইউনিয়নের শংকরদহ, চল্লিশসাল, গয়রা মোঝা এলাকাসহ বিভিন্ন এলাকায় ভাঙন শুরু হয়েছে। ইতিমধ্যে নদীগর্ভে বিলীন হয়ে গেছে শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, মসজিদ-মন্দিরসহ প্রায় সাড়ে ৪’শ ঘরবাড়ি। এ ছাড়া ঘাঘট নদীর নিম্নাঞ্চলে প্রায় সাড়ে ৩ হাজার পরিবার পানিবন্দি রয়েছে। পানিবন্দি মানুষগুলোর মাঝে দেখা দিয়ে ত্রাণ সংকট। জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে বানভাসি মানুষের মাঝে যে পরিমাণ ত্রাণ বিতরণ করা হয়েছে তা প্রয়োজনের তুলনায় অতি নগণ্য।
 
এদিকে, তিস্তা নদী তীরবর্তী চরাঞ্চলের গঙ্গচড়া উপজেলায় ১২০টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান ও পীরগাছার ৮০ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এবং কাউনিয়ায় ২০টিসহ প্রায় ২৫০টি সরকারি ও বে-সরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের পাঠদান বন্ধ রয়েছে। বন্যার পানি নেমে যাওয়ার পর পাঠদান কার্যক্রম শুরু হবে।
 
ইত্তেফাক/ইউবি