মানিকগঞ্জে বন্যার পানি বৃদ্ধি অব্যাহত রয়েছে। বৃহস্পতিবার যমুনার পানি বিপদসীমার ৭২ সেন্টিমিটার উপর দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। ফলে নতুন নতুন এলাকা প্লাবিত হচ্ছে। জেলার প্রায় ত্রিশ হাজার লোক পানিবন্দী হয়ে পড়েছে। এসব এলাকার লোকজন চরম দুর্ভোগের মধ্য দিয়ে দিনাতিপাত করছে।
জানা গেছে, বন্যার কারণে জেলার ৭২টি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ক্লাস বন্ধ রয়েছে। আরিচা থেকে অন্বয়পুর হয়ে পাটুরিয়া রোডে যানবাহন চলাচল বন্ধ রয়েছে।
এদিকে পদ্মা- যমুনার তীরবর্তী চারটি উপজেলার অভ্যন্তরে খাল-নদী-নালা বেয়ে দ্রুত পানি প্রবেশ করছে। বন্যার পানির চাপে আরিচা-পাটুরিয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের এলাচিপুর এলাকায় ফাটল দেখা দিয়েছে, অন্বয়পুর এলাকায় বাঁধ উপচিয়ে ভিতরে পানি প্রবেশ করছে। এলাকাবাসী বালির বস্তা ফেলে বাঁধ রক্ষার চেষ্টা করছে।
বন্যাকবলিত পদ্মা-যমুনা তীরবর্তী দৌলতপুর, ঘিওর, শিবালয় ও হরিরামপুর চারটি উপজেলার চরাঞ্চলের প্রায় ৩০হাজার লোক পানি বন্দী হয়ে পড়েছে। এছাড়া যমুনার শাখা নদী পুরাতন ধলেশ্বরী,ধলেশ্বরী, কালীগঙ্গা,ইছামতি, কান্তাবতীতে সমানতালে পানি বৃদ্ধি পাচ্ছে।
মানিকগঞ্জ জেলা প্রশাসক মো. নাজমুছ সাদাত সেলিম বলেন, বন্যা কবলিত দৌলতপুর উপজেলায় ২০মেট্রিক টন চাল এবং নগদ দেড় লাখ টাকা, শিবালয় ও হরিরামপুর উপজেলায় ১৭ মেট্রিক টন করে চাল ও নগদ এক লাখ টাকা করে বিতরণ জন্য সংশ্লিষ্ট উপজেলা নির্বাহী অফিসারদের নিকট পাঠিয়ে দেয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/জামান
