সাস্প্রতিক বন্যায় তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানির চাপে লালমনিরহাটের হাতীবান্ধা হাসপাতালের পিছনে রেলপথ ভেঙে যায়। বন্ধ হয়ে যায় বুড়িমারী স্থলবন্দরের সঙ্গে সারা দেশের রেল যোগাযোগ ব্যবস্থা।
ওই রেলপথ ভেঙে তিস্তা ও সানিয়াজান নদীর পানিতে জেলার হাতীবান্ধা ও কালীগঞ্জ উপজেলার সীমান্তঘেঁষা ৭টি ইউনিয়নের হাজার হাজার পরিবার পানিবন্দি হয়ে পড়ে। নষ্ট হয়ে যায় হাজার হাজার হেক্টর জমির রোপা আমন ক্ষেত। ভেসে গেছে শত শত পুকুরের মাছ।
ভেঙে যাওয়া ওই রেলপথটি মেরামত করতে সরকারের অপেক্ষায় না থেকে স্বেচ্ছাশ্রম ভিত্তিতে মেরামতের উদ্যোগ নেয় স্থানীয় লোকজন। ১৯ আগস্ট সকালে ক্ষতিগ্রস্ত এলাকার শত শত মানুষ নিজ বাড়ি থেকে বস্তা ও ট্রাকে মাটি এনে রেলপথ মেরামতের কাজ শুরু করেন।
এতে অংশ নেন হাতীবান্ধা উপজেলা চেয়ারম্যান লিয়াকত হোসেন বাচ্চু, জেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সম্পাদক অধ্যক্ষ সরওয়ার হায়াত খান, টংভাঙ্গা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান আতিয়ার রহমান, সাবেক চেয়ারম্যান সেলিম হোসেন ও সির্ন্দুনা ইউনিয়ন চেয়ারম্যান নুরল আমিন প্রমুখ।
ইত্তেফাক/ইউবি
