যশোরে ডাকবাংলোর কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানকে (৪৫) পিটিয়ে হাসপাতালে পাঠিয়েছেন জেলা পরিষদের সদস্য শাহ্ মুরাদ আহমেদ।
বুধবার বেলা ১১টার দিকে অভয়নগর উপজেলা পরিষদ ডাকবাংলোতে এ ঘটনা ঘটে। বিকেলে তাকে যশোর ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। তবে অভিযোগ অস্বীকার করেছেন অভিযুক্ত যশোর জেলা পরিষদের ১০ নং ওয়ার্ডের মেম্বর শাহ মুরাদ আহমেদ।
জেলা পরিষদের কর্মকর্তারা জানান, হাবিবুর অভয়নগর উপজেলায় জেলা পরিষদের ডাকবাংলোয় কেয়ারটেকার হিসেবে ৫-৭ বছর দায়িত্ব পালন করছেন। বুধবার বেলা ১১টার দিকে বাংলোর মধ্যে স্ত্রী-সন্তানদের সামনে হাবিবুর রহমানকে কিলঘুষি, লাথি মেরে আহত করেন জেলা পরিষদের ১০ নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহ মুরাদ আহমেদ। পরে জেলা পরিষদের কর্মকর্তা ও কর্মচারীরা তাকে যশোর ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
জেলা পরিষদের একাধিক কর্মকর্তা নাম প্রকাশ না করার শর্তে বলেন, শাহ্ মুরাদ জেলা পরিষদের ডাকবাংলোতে ব্যক্তিগত অফিস তৈরি করেছেন। সেখানে কেয়ারটেকারকে নিজের ইচ্ছামত ব্যক্তিগত কাজে ব্যবহার করতেন।
যশোর জেলা পরিষদের ১০ নং ওয়ার্ডের সদস্য শাহ মুরাদ আহমেদ সাংবাদিকদের বলেন, ‘অভিযোগ সঠিক নয়। দায়িত্বে অবহেলার কারণে হাবিবুরকে বকাঝকা করেছি। তাকে মারপিট করিনি। চেয়ারম্যান সাহেবের অনুমতি নিয়ে বাংলোতে ব্যক্তিগত অফিস করেছি। ’
জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান আবদুল খালেক বলেন, ‘শুনেছি সদস্য শাহ মুরাদ কেয়ারটেকার হাবিবুর রহমানকে পিটিয়ে আহত করেছে। আহত হাবিবুরকে দুপুরে জেলা পরিষদের আনা হয়েছিল। পরে তাকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।’
ইত্তেফাক/ইউবি
