নওয়াপাড়া-সুন্দলী সড়ক মেরামতের এক মাস না যেতেই খানা-খন্দ সৃষ্টি

আপডেট : ২৪ আগস্ট ২০১৭, ০২:২৪

নওয়াপাড়া-সুন্দলী সড়ক মেরামতের এক মাস না যেতেই খানা-খন্দ সৃষ্টি হয়ে  পিচ, খোঁয়া উঠতে শুরু করেছে। অভয়নগর ও মনিরামপুর উপজেলা সংযোগের সোজা সড়কটিতে যানবাহন চলাচলে ভোগান্তি শুরু হলো আবার।

জানা গেছে, ১ কোটি ৩৩ লাখ টাকা ব্যয়ে নওয়াপাড়া নূরবাগ হয়ে সুন্দলী সড়কের ৫১১০ মিটার রাস্তার মেরামতের কার্যাদেশ দেওয়া হয় যশোরের ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান বিশ্বজিত কনস্ট্রাকশনকে। কাজটি যথাসময়ের মধ্যে সম্পন্ন হয়েছে।

সড়কটিতে বরাদ্দকৃত পাঁচ শতাংশ নিরাপত্তজনিত অর্থ বাদে সমুদয় বিল উত্তোলন করা হয়েছে। কিন্তু সঠিক নিয়মে কাজ না হওয়ার কারণে জুলাই মাসের শেষদিকে কয়েক দফা ভারী বর্ষণের পর থেকে রাস্তাটিতে খানা-খন্দ সৃষ্টি হতে শুরু করে। বর্তমানে সমুদয় রাস্তার কার্পেটিংয়ে ফাটল দেখা দিয়েছে। এর চার বছর আগে রাস্তাটিতে আরো একবার মেরামতের কাজ হয়েছিল। সেবারও এক বছরের মাথায় রাস্তার পিচ-খোঁয়া উঠে খানা-খন্দের সৃষ্টি হতে থাকে।

 এ বিষয়ে জানতে চাইলে উপজেলা প্রকৌশলী সরদার কামরুল ইসলাম বলেন, আমি মাত্র কয়েকদিন আগে এসেছি, এ ব্যাপারে কোনো অভিযোগ আমি এখনো পাইনি। বিষয়টি আমার জানা নেই। উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ভারপ্রাপ্ত) মনদীপ ঘরাই বলেন, বিষয়টি আমার এখতিয়ারের বাইরে। তবে এলাকাবাসী অভিযোগ করলে আমি ব্যবস্থা  নেওয়ার চেষ্টা করবো।

রাস্তার কাজ চলাকালীন দায়িত্বপ্রাপ্ত উপজেলা উপ-সহকারী প্রকৌশলী গৌতম হালদার জানান, আমরা উপজেলা থেকে প্রস্তাবনা করেছিলাম নতুন করে সড়কটি মেরামতের কাজ করার জন্য। কিন্তু জেলা অফিস থেকে আমাদের প্রস্তাবনা বাদ দিয়ে মেকাডোম ছাড়া মেরামতের বরাদ্দ দেওয়া হয়। যে কারণে মেরামতের পর পরই এমন অবস্থার সৃষ্টি হয়েছে। তিনি আশ্বাস দিয়ে বলেন, ঠিকাদারের পাঁচ শতাংশ টাকা আটকানো আছে আমরা দ্রুত রাস্তাটির পুনঃ মেরামতের কাজ করবো।

ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের মালিক বিশ্বজিত্ কুমার জানান, আমি সঠিক নিয়মে কাজ করেছি। ম্যাকাডোম করার কথা সিডিউলে ছিল না। ২৫ সে.মি কার্পেটিংয়ের কাজ করেছি। ভারী বর্ষণের কারণে রাস্তার পিচ উঠে যেতে পারে।

ইত্তেফাক/নূহু