মাগুরায় কোরবানিতে এক গরুর দাম ৮ লাখ

আপডেট : ২৫ আগস্ট ২০১৭, ১৪:৫৫
মাগুরার শ্রীপুর উপজেলার খামারপাড়া গ্রামের খামারি খন্দকার মনির হোসেন ও তার স্ত্রী জাহানারা খাতুন নিজ বাড়িতে গড়ে তুলেছেন গরুর খামার। মাত্র একটি ফ্রিজিয়ান জাতের গরু থেকে ৫ বছরের মাথায় এখন তাদের গরুর সংখ্যা ১৩টি। এর মধ্যে আসন্ন কোরবানিকে সামনে নিয়ে তিন বছর ধরে যত্নে তৈরি বিশাল একটি ষাঁড় এর ওজন হয়েছে ২২ মন। কোরবানির বাজারে মনির হোসেন এ গরুটির দাম হাকাচ্ছেন ৮ লাখ।
 
মনির হোসেনের দাবি সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক খাদ্য খাইয়ে বড় করা বিশাল এ গরুটি এ এলাকার সবচেয়ে সেরা গরু। তার গোয়ালে আরও দুটি ষাঁড় রয়েছে যাদের বয়স প্রায় ২ বছর। এগুলিও  বেশ বড়সর হয়েছে। এর এক একটি গরুর দামও কমপক্ষে ৩ লাখ করে বলে জানান মনির। 
 
ভারতীয় গরু যদি ব্যাপকভাবে দেশের মধ্যে প্রবেশ না করে তাহলে তারা গরুর ভাল দাম পাবেন বলে আশা প্রকাশ করেন খামারি মনির।  
 
মনির হোসেনের স্ত্রী জাহানারা বেগম জানান, গরুগুলোকে তিনি খড়, খুদের ভাত, গমের ভূষি ও সবুজ ঘাস খাইয়ে থাকেন। প্রতিদিন এ গরুগুলোর জন্য কমপক্ষে ১ হাজার টাকার খাবার লাগে। ফলে এ গরুগুলো খুবই হৃষ্টপুষ্ট ও শক্তিশালী হয়েছে। কোন প্রকার কেমিক্যাল ব্যবহার না করায় এ গরুর সুনাম ইতিমধ্যে এলাকায় ছড়িয়ে পড়েছে।
 
মাগুরা জেলা প্রাণি সম্পদ কর্মকর্তা কানাই লাল স্বর্ণকার জানান, কোরবানিকে সামনে রেখে মাগুরায় ছোটবড় প্রায় ১১হাজার গরুর খামার গড়ে উঠেছে। এর অধিকাংশই পরিবার ভিত্তিক। প্রাণি সম্পদ বিভাগের প্রত্যক্ষ তত্ত্বাবধানে কোন প্রকার স্টেরয়েড বা হরমন ইনজেকশন ব্যবহার না করে সম্পূর্ণ প্রাকৃতিক উপায়ে এসব খামারে ১৬ হাজারের উপর গরু মোটাতাজা করছে খামারিরা। যার আনুমানিক মূল্য প্রায় ৮ কোটি টাকা। 
 
ইত্তেফাক/এমআই