শেরপুরের নকলা উপজেলার উরফা কান্দাপাড়া গ্রামের এক ঝাল-মুড়ির হকার শুক্রবার রাতে রহস্যজনকভাবে ছুরিকাঘাতে নিহত হয়েছেন।
জানা যায়, উরফা কান্দাপাড়া গ্রামের তাহের আলীর ছেলে ঝাল-মুড়ি হকার মিয়া হোসেন (৫২) নিজ বসতঘরে নিহত হয়েছেন। এলাকাবাসী জানায়, মিয়া হোসেন ইতি পূর্বে রিকশা চালক হিসেবে তার স্ত্রী পরিবার নিয়ে ঢাকার গাজীপুরে বসবাস করত। ২০০৩ সালে গাজীপুরের ভাড়া বাড়িতে তার স্ত্রী কল্পনা বেগমকে গলা কেটে হত্যা করে দুর্বৃত্তরা। এ মামলায় গ্রেফতারের পর প্রায় ১০ বছর জেলহাজতে থেকে দুই বছর আগে কাশিমপুর কারাগার থেকে জামিনে মুক্তি পেয়ে বাড়িতে আসেন।
এসময় জীবিকা নির্বাহের জন্য মিয়া হোসেন, ঝাল-মুড়ি বিক্রির হকারের পেশায় নিয়োজিত হয়। শুক্রবার সারাদিন তার ঘরের দরজা বন্ধ থাকায় রাতে পার্শ্ববর্তী বাড়ির লোকজন দরজার ফাঁক দিয়ে খোঁজ নিয়ে দেখে ঘরের ভিতর চৌকির উপর তার রক্তাক্ত লাশ পড়ে আছে। এলাকাবাসী সূত্রে খবর পেয়ে শেরপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আমিনুল ইসলামসহ নকলা থানা পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য প্রেরণ করেছে। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা এসআই হাফিজ আল আসাদ জানান, নিহত মিয়া হোসেনের গলায় একটি ডেগার ঢুকানো ছিল।
উল্লেখ্য, মিয়া হোসেনের স্ত্রীর হত্যা মামলাটির রায় নিকটবর্তী হয়েছে। এ মামলার রায়ে তার সাজার পরিণতির কথা চিন্তা করেই সে আত্মহত্যা করেছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। নকলা থানার অফিসার ইনচার্জ খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী জানান, এটা হত্যা না আত্মহত্যা তা এখনো বলা যাচ্ছে না।
ইত্তেফাক/জামান
