হত্যা মামলায় তাহিরপুর উপজেলা চেয়ারম্যান'সহ সাতজন কারাগারে

আপডেট : ২৭ আগস্ট ২০১৭, ১৭:৫৮
 
সুনামগঞ্জের তাহিরপুর সদরের বাসিন্দা ওয়াহিদ্দুজামান শিপলু হত্যাকাণ্ড মামলায় উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল'সহ সাতজনকে কারাগারে প্রেরণ করেছেন আদালত। রবিবার দুপুরে অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ প্রণয় কুমার দাশ এ আদেশ দেন।
 
এ মামলায় কারাগারে যাওয়া অন্য আসামিরা হলেন, তৎকালীন তাহিরপুর থানার ওসি শরিফ উদ্দিন, জুনাব আলী, মেহেদী হাসান উজ্বল, শাহীন মিয়া, শাহজান মিয়া, রফিকুল ইসলাম।
 
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, ২০০২ সালের ২০ শে মার্চ ওয়াহিদ্দুজামান শিপলু হত্যাকাণ্ডটি সংগঠিত হয়। তিনদিন পর ২৩ শে মার্চ শিপলুর মাতা আমিরুন নেছা বাদী হয়ে ম্যাজিস্ট্রেট কোর্টে মামলা দায়ের করেন। পরে ওসি শরিফ উদ্দিন সহ কয়েকজন কিছু দিন জেলে থাকার পর জামিনে বের হয়ে আসেন। দীর্ঘদিন পর সকল আসামির উপস্থিতে আদালতে মামলার শুনানি হয় রবিবার। শুনানি শেষে আদালত সকল আসামীকে জেল হাজতে প্রেরণের নির্দেশ দেন।
 
বাদী পক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট আপ্তাব উদ্দিন ও অ্যাডভোকেট জহুর আলী। আসামি পক্ষের আইনজীবী হিসেবে ছিলেন অ্যাডভোকেট হুমায়ুন মঞ্জর চৌধুরী ও অ্যাডভোকেট ফারুক।
 
সূত্রে জানা যায়, তৎকালীন সময়ে তাহিরপুর উপজেলার জয়নাল আবেদীন কলেজের ছাত্রলীগের সভাপতি ছিল ওয়াহিদ্দুজ্জামান শিপলু। আসামিদের সাথে রাজনৈতিক দ্বন্দ্ব ছিল শিপলুর। ওই সময়ে বিএনপি সরকার ক্ষমতায় ছিল এবং সে ছাত্রলীগ নেতা হিসেবে সরকার বিরোধী আন্দোলনে সক্রিয় ছিল বলে জানা যায়। এ নিয়ে বর্তমান উপজেলা চেয়ারম্যান কামরুজ্জামান কামরুল সহ তার সহযোগীদের সাথে দ্বন্দ্ব চরমে ওঠে। এক পর্যায়ে শিপলুকে ২০০২ সালের ২০ মার্চ পরিকল্পতি ভাবে হত্যা করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।
 
ইত্তেফাক/জামান