মিয়ানমারের রোহিঙ্গা বাংলাদেশে প্রবেশ বন্ধে সীমান্তের লামা, নাইক্ষ্যংছড়ি, উখিয়া ও টেকনাফে একযোগে সতর্কতা জারি করা হয়েছে। সম্প্রতি মিয়ানমারের উত্তরাঞ্চল রাখাইন রাজ্যে আইন শৃংখলা বাহিনীও রোহিঙ্গাদের মধ্যে সংঘর্ষের পর অসহায় রোহিঙ্গারা দলেদলে ভিড়ছে বাংলাদেশ সীমানার ঘুমধুম, তুমব্রু, পালংখালী, হোয়াইক্যং, তেচ্ছিপুল, হ্নীলাওসহ টেকনাফের বিস্তৃত নাফনদীর এলাকাজুড়ে। তারা লুকিয়ে ক্যাম্পে ঢোকার অপেক্ষায় রয়েছে। এছাড়াও বান্দরবান জেলার সীমান্তের মেটোপথেও রোহিঙ্গাদের আগমন অব্যাহত রয়েছে।
মিয়ামারের সেনাদের সঙ্গে কথিত রোহিঙ্গা সন্ত্রাসীদের সংঘর্ষ গত ৪ দিন ধরে অব্যহত রয়েছে। তুমব্রু সীমান্তে আকাশে টহল দিচ্ছে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার। গত সোমবার দুপুর দেড়টার দিকে নাইক্ষ্যংছড়ির ঘুমধুম ইউনিয়নের তুমব্রু সীমান্তের জিরো পয়েন্টের ওপর দিয়ে মিয়ানমার সেনাবাহিনীর হেলিকপ্টার মহড়া দিতে দেখা গেছে। এছাড়া গতকাল মিয়ানমারের ছোড়া গুলি তমব্রু বাজার ও প্রাইমারী স্কুলে পড়লে এলাকায় আতংক বিরাজ করে।
গত কয়দিন ধরে ঘুমধুম, জলপাইতলী, তুমব্রু পশ্চিম ও উত্তর কুল, কলাবাগান, বাইশারী, চাকমাপাড়া, রেজু আমতলী, আছাড় বনিয়া সহ সীমান্ত সংলগ্ন এলাকায় বসবাসকারীদের মধ্যে অজানা আতংক বিরাজ করছে। স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন প্রচন্ড গোলাগুলির শব্দ শোনা যায়।
ঘুমধুম ইউপি চেয়ারম্যান একেএম জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি উত্তেজনাপূর্ণ হওয়ায় এলাকার মানুষ আতঙ্কগ্রস্থ হয়ে পড়েছে। ৩৪ বিজিবির অধিনায়ক লে. কর্ণেল মঞ্জুরুল হাসান খান বলেন, সীমান্তের পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে। ভয়ের কোন কারণ নেই।
ইত্তেফাক/নূহু
