মহিলা ও শিশু বিষয়ক প্রতিমন্ত্রী মেহের আফরোজ চুমকি বলেছেন, দোষী ব্যক্তির অপরাধ সঠিকভাবে চিহ্নিত ও প্রমাণ করতে না পারার কারণে নির্যাতিত নারী সঠিক বিচার পাওয়া থেকে বঞ্চিত হয়।
মঙ্গলবার বাংলাদেশ শিশু একাডেমী মিলনায়তনে ‘নারী ও শিশু নির্যাতন বন্ধে’ করণীয় নির্ধারণে জিও, এনজিও এবং সুশীল সমাজের সাথে এক পরামর্শ সভায় প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এ কথা বলেন। মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আয়োজনে। অনুষ্ঠিত এ সভায় মহিলা ও শিশু বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সচিব নাছিমা বেগমের সভাপতিত্বে সরকারের বিভিন্ন সংস্থার প্রতিনিধি, এনজিও প্রতিনিধি এবং সুশিল সমাজের প্রতিনিধিরা অংশগ্রহণ করেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, অনেক সময় নির্যাতিত নারী সাক্ষি এবং প্রমানের অভাবে সুষ্ঠু বিচার পায় না। সঠিক তথ্য ও প্রমাণ না থাকার কারণে অপরাধীরাও পার পেয়ে যায়। এ বিষয়ে নারীদের আরো সচেতন হতে হবে।
তিনি বলেন, বর্তমান সরকার নারী এবং শিশুর জন্য একটি নিরাপদ সমাজ ব্যবস্থা নির্মাণে সামগ্রিকভাবে কাজ করে যাচ্ছে। এক্ষেত্রে সকলের সহযোগিতা খুবই প্রয়োজন।
নাছিমা বেগম বলেন, আগে নির্যাতিত নারী ও শিশুদের পরিবার সন্তানের ভবিষ্যতের কথা চিন্তা করে তার সাথে ঘটে যাওয়া নির্যাতন গোপন রাখত। নির্যাতিত নারীকে সামাজিকভাবে হেয়প্রতিপন্ন করতো। বর্তমানে সমাজের একটি ইতিবাচক পরিবর্তন হয়েছে।
এখন সমাজ ও পরিবার নির্যাতিত নারীর পাশে দাঁড়াচ্ছে এ কথা উল্লেখ করে তিনি বলেন, নারী নির্যাতন বা নারীর প্রতি সহিংসতা নারীর ক্ষমতায়নে অন্যতম অন্তরায়। এই সমস্যা সমাধানে সমাজের বিভিন্ন শ্রেণী পেশার মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে।বাসস।
ইত্তেফাক/রেজা
