জলঢাকার ইউএনও নীলফামারী জেলায় শ্রেষ্ঠ

আপডেট : ৩১ আগস্ট ২০১৭, ২৩:৪২

জলঢাকা উপজেলার ইউএনও নীলফামারী জেলায় শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হয়েছেন। উপজেলা নির্বাহী অফিস সুত্রে জানা যায়, জাতীয় প্রাথমিক শিক্ষা পদক প্রতিযোগিতায় ও শিক্ষাক্ষেত্রে বিশেষ অবদানের জন্য নীলফামারী জেলা প্রশাসক মোহাম্মাদ খালেদ রহীম, জলঢাকা উপজেলার ইউএনও মুহাম্মদ রাসেদুল হক প্রধানকে জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও হিসাবে ঘোষণা করেন।

নীলফামারীর জলঢাকা উপজেলায় এক বছর আগে মুহা. রাশেদুল হক প্রধান ইউএনও হিসাবে যোগদান করেন। যোগদানের পর উপজেলার প্রতিটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার গুণগত মান উন্নয়ন ও শিক্ষকদের ১০০% উপস্থিতি নিশ্চিত করেছেন তিনি। বিদ্যালয়ে আনন্দঘন পরিবেশে শিশুদের পাঠদান নিশ্চিত করতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ক্লাশ নিচ্ছেন তিনি।

উপজেলার বেশ কিছু প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জমি ভুমি দস্যুদের দখলে ছিলো। সেই জমিগুলো উদ্ধার করে স্ব স্ব প্রতিষ্ঠানকে ফিরিয়ে দিয়েছেন তিনি। জলঢাকা উপজেলায় কোন বিনোদন পার্ক না থাকায়, উপজেলা ক্যাম্পাসকেই তিনি পার্কে রূপদান করেছেন। প্রতিটি অফিসের সামনে ফুল বাগান, বিভিন্ন নকশায় সাজানো সিমেন্টের তৈরি বসার স্থান, পুকুরে নৌকা, শিল্পকলা একাডেমি, বিভিন্ন ধরনের সবুজ ঘাস লাগানো হয়েছে। ফলে ‘গ্রিন গোল্ড’ হিসাবে পরিচিতি পেয়েছে ক্যম্পাসটি। প্রতিদিন অফিস সময়ের পর অনেকে আসেন উপজেলা চত্বরটি দেখতে।

রাশেদুল হক প্রধান জলঢাকায় জুয়া খেলা বন্ধ করেছেন। বর্তমান জুয়াড়ি, মাদক বিক্রেতা ও মাদক সেবনকারীদের যম হিসাবে পরিচিত জলঢাকার ইউএনও। এসব অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ করতে রেকর্ড পরিমান ভ্রাম্যমান আদালত পরিচালনা করেছেন তিনি। এতে অবৈধ কর্মকাণ্ড বন্ধ হয়ে সমাজের উপকার হওয়ার পাশাপাশি বেড়েছে সরকারি রাজস্ব।

তিনি ৫০ লাখ টাকা ব্যয়ে জলঢাকা কেন্দ্রীয় শহীদ মিনার আধুনিকায়ন ও বঙ্গবন্ধুর ম্যুরাল কাজের ভিত্তিপ্রস্থর স্থাপন করেছেন।

জেলার শ্রেষ্ঠ ইউএনও নির্বাচিত হওয়ার বিষয়ে জানতে চাইলে, রাশেদুল হক বলেন, আমি আমার দায়িত্ব পালন করছি। আমার কাজের ভালো-মন্দ দেখেছেন আমার উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষ এবং এই উপজেলার মানুষ। শ্রেষ্ঠ নির্বাচিত হওয়ার বিষয়টি আমাকে তাদের প্রতি আরও কৃতজ্ঞ করেছে। আমি আরও বেশি কাজ করার অনুপ্রেরণা লাভ করেছি। মানুষের জন্য আরও কাজ করতে চাই।

ইত্তেফাক/নূহু