গোপালগঞ্জে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে স্কুলছাত্র নিহত

আপডেট : ১২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ১৫:০৫
গোপালগঞ্জের কাশিয়ানীতে সহপাঠীর ছুরিকাঘাতে বরকত উল্লাহ প্রিন্স (১৩) নামে এক স্কুল ছাত্র নিহত হয়েছে। আজ মঙ্গলবার সকাল ১০টার দিকে কাশিয়ানী উপজেলার রামদিয়া শশী কমল বিদ্যাপীঠ স্কুলের সামনে এই ঘটনা ঘটে। প্রিন্স কাশিয়ানীর জোতকুরা গ্রামের হানিফ মোল্লা ওরফে দুলু মোল্লার ছেলে ও রামদিয়া শ্রীকৃষ্ণ শশী কমল বিদ্যাপীঠের ৭ম শ্রেণির ছাত্র। প্রিন্সের পিতা দুলু মোল্লা রামদিয়া বাজারের ভাড়া বাড়িতে থাকেন ও রামদিয়া বাজারে মুদি ব্যবসা করেন।
 
রামদিয়া পুলিশ ফাঁড়ির উপ-পরিদর্শক মো. হাদি আব্দুল্লাহ জানান, মঙ্গলবার সকালে রামদিয়া ব্রাইট কোচিং সেন্টারে পড়তে যায় প্রিন্স। সেখানে সহপাঠী শাহ আলমের সঙ্গে প্রিন্সের কথা কাটাকাটি হয়। প্রিন্স ১০টার দিকে স্কুলে যায়। সাড়ে ১০টার দিকে প্রিন্সকে ডেকে স্কুলের বাইরে নিয়ে গিয়ে ছুড়ি দিয়ে পেটে কোপ দিয়ে পালিয়ে যায় শাহ আলম। সহপাঠী ও শিক্ষকরা আহতাবস্থায় প্রিন্সকে উদ্ধার করে দ্রুত গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে যায়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিন্স মারা যায়।
 
তিনি আরও জানান, এ ঘটনার মূল অভিযুক্তকে ধরতে পুলিশি অভিযান শুরু করেছে। তবে হত্যার কারণ সম্পর্কে ওই পুলিশ কর্মকর্তা কিছুই জানাতে পারেননি।
 
নিহত স্কুল ছাত্রের পিতা হানিফ মোল্যা ওরফে দুলু বলেন, আজ সকালে প্রিন্সকে স্কুলে দিয়ে আমি আমার মুদি দোকানে চলে যাই। এরপর খবর পাই প্রিন্সের সহপাঠী শাহ আলম ছুড়ি দিয়ে তার কোপ দিয়ে পালিয়েছে। প্রিন্সকে সহপাঠী ও শিক্ষকদের সহযোগিতায়
হাসপাতালে নিয়ে আসি। এখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় প্রিন্স মারা গেছে। আমি এ হত্যাকাণ্ডের রহস্য উদঘাটন করার দাবি জানাই। সেই সাথে ছেলে হত্যার বিচার চাই।
 
গোপালগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে জরুরি বিভাগের চিকিৎসক সঞ্জিব কুমার ধর বলেন, সংকট জনক অবস্থায় স্কুল ছাত্রকে হাসপাতালে নিয়ে আসা হয়। চিকিৎসা শুরু করার পর সে মারা যায়। ওই ছাত্রের পেটে ছুড়ির কোপের চিহ্ন রয়েছে। অনেক রক্ত ক্ষরণে তার মৃত্যু হয়েছে বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করা হচ্ছে।
 
ইত্তেফাক/এমআই