একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন

গোপালগঞ্জে কদর বেড়েছে তৃণমূলের নেতা-কর্মীদের

আপডেট : ২২ সেপ্টেম্বর ২০১৭, ০০:৪৩

আগামী সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে গোপালগঞ্জের পাঁচটি উপজেলার তিনটি আসনে জোট-মহাজোটের সম্ভাব্য প্রার্থীরা মাঠ দখলের লড়াইয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন। মনোনয়ন পাওয়ার জন্য দৌড়-ঝাঁপের পাশাপাশি কেন্দ্রে জোর লবিং চালাচ্ছেন। কদর বেড়েছে তৃণমূলের স্থানীয় নেতা-কর্মীদের। পাশাপাশি ডিজিটাল ব্যানার, পোস্টার ও বিলবোর্ড টাঙিয়ে প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন অনেকে। নিজ নিজ এলাকায় গণসংযোগ ও সভা-সমাবেশ করছেন। বিভিন্ন ধর্মীয় আচার-অনুষ্ঠানে যোগদান করছেন অনেকে। ঢাকা থেকে বিভিন্ন বিয়ে-সাদী সামাজিক অনুষ্ঠানে উপস্থিত হওয়ার জন্য গোপালগঞ্জে আসছেন। বর্তমান রাজনৈতিক প্রেক্ষাপটে বিএনপির চেয়ে জাতীয় পার্টি অনেকটা ভালো অবস্থানে রয়েছে। জাতীয় পার্টির প্রার্থীরা বিভিন্ন সভা-সমাবেশ ও বিলবোর্ড টাঙিয়ে তাদের প্রার্থিতার জানান দিচ্ছেন। বিএনপির রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড না থাকলেও প্রতিটি আসনেই একাধিক প্রার্থীর নাম শোনা যাচ্ছে। তবে আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনে গোপালগঞ্জ-১ আসনে আসতে পারে নতুন চমক। আওয়ামী লীগ থেকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসাবে যে তিনজনের নাম বেশি শোনা যাচ্ছে তারা হলেন জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের আদরের ছোট কন্যা শেখ রেহানা, কেন্দ্রীয় আওয়ামী লীগের উপদেষ্টামণ্ডলীর সদস্য মুকুল বোস, আব্দুর রব সেরনিয়াবাতের দৌহিত্র এবং গোপালগঞ্জ জেলা আওয়ামী লীগের সাবেক সভাপতি মরহুম মোহাম্মদ আলী খান আবু মিয়ার ছোট ভাইয়ের ছেলে ব্যারিস্টার আলী আসিফ খান। যদি এ তিনজনের মধ্য থেকে একজনকে প্রার্থী করা হয় সেক্ষেত্রে বর্তমান এমপি আওয়ামী লীগ প্রেসিডিয়াম সদস্য কর্নেল  (অব.) মুহাম্মদ ফারুক খানের ভাগ্য এ আসনে অনিশ্চিত হয়ে পড়বে।

গোপালগঞ্জ জেলার আসনগুলো বরাবরই আওয়ামী লীগের দখলে রয়েছে। দেশের অন্যান্য আসনের তুলনায় রাজনৈতিক কারণে গোপালগঞ্জের আসনগুলো একটু ব্যতিক্রম। কারণ গোপালগঞ্জ জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মস্থান। এলাকার মানুষ মনেপ্রাণে বঙ্গবন্ধুকে ভালোবাসে। সে কারণে মানুষ প্রার্থীর বিচার না করে বঙ্গবন্ধুর নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে আত্মতৃপ্তি লাভ করেন।

ইত্তেফাক/নূহু