শেরপুরে সড়ক দুর্ঘটনায় স্কুলছাত্রী নিহত

আপডেট : ০৭ অক্টোবর ২০১৭, ১৭:৩৪
 
স্কুলের মাসিক পরীক্ষায় অংশ নেয়া হলো না স্কুলছাত্রী ফাহমিদা আলমের। এক সড়ক দুর্ঘটনায় তার মৃত্যু হয়। সে বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের (আরডিএ) সপ্তম শ্রেণির ছাত্রী। এ ঘটনায় বাবা মাদ্রাসা শিক্ষক ফরিদ আহমেদ আহত হন। 
 
আজ শনিবার বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা যায় স্কুলছাত্রী ফাহমিদা আলম। 
 
এর আগে সকালের দিকে বগুড়ার শেরপুর পৌরশহরের ঢাকা-বগুড়া মহাসড়কের বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। তার বাবা ফরিদ আহমেদ শাজাহানপুর উপজেলার নগর জেএম ফাজিল মাদ্রাসার শিক্ষক। শেরপুর উপজেলার দশমাইল এলাকায় ভাড়া বাড়িতে বসবাস করেন এই পরিবারটি। 
 
পুলিশ ও স্থানীয়রা জানান, বগুড়া পল্লী উন্নয়ন একাডেমি ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের শিক্ষক গোলাম মোস্তফা সাকির বাড়ি শেরপুর শহরের টাউন কলোণিতে। তার কোচিংয়ে সকালে পড়তে আসে একই স্কুলের ছাত্রী ফাহমিদা আলম। কোচিং শেষে বাবার সঙ্গে  মোটরসাইকেল যোগে স্কুলের উদ্দেশ্যে রওনা দেয় সে।কিন্তু বাসষ্ট্যান্ড এলাকায় মহাসড়কে ঢাকা থেকে ছেড়ে আসা একটি বাস মোটরসাইকেলটিকে চাপায় দেয়। গুরুতর আহত অবস্থায় তাদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লে­ক্সে নেয়া হয়। অবস্থার অবনতি ঘটলে ফাহমিদাকে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে (শজিমেক) নেয়া হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বেলা সাড়ে ১১ টার দিকে ফাহমিদা মারা যায়। 
 
শেরপুর টাউন ফাঁড়ি পুলিশের দায়িত্বপ্রাপ্ত কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক (টিএসআই) শাহ আলম জানান, ঘাতক বাসটিকে শাজাহানপুর থানা পুলিশ জব্দ করেছে। তবে পালিয়ে যাওয়ায় চালক ও চালকের সহকারীকে আটক করা যায়নি। আহত বাবা ফরিদ আহমদ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন বলে এই পুলিশ কর্মকর্তা জানান।   
 
ইত্তেফাক/কেকে