দৌলতপুর উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস সম্প্রসারণ কাজে ব্যাপক অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ পাওয়া গেছে।
জানা যায়, ২০১৬-২০১৭ অর্থ বছরে প্রাথমিক শিক্ষা সম্প্রসারণ কাজ পিইডিপি-৩ এর আওতায় ২৯ লক্ষ ৮২ হাজার ১২৪ টাকা ব্যয়ে উপজেলা প্রাথমিক শিক্ষা অফিস দোতলাকরণের জন্য উপজেলা প্রকৌশল কার্যালয় থেকে টেন্ডার আহবান করলে স্থানীয় ঠিকাদার জে এস এন্টারপ্রাইজ-এর স্বত্বাধিকারী মোজাম্মেল হক জুয়েল কাজটি পান।
এরপর উপজেলা প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান সংশ্লিষ্ট ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশ করে নিম্নমানের ইট, বালি ও অন্যান্য উপকরণ ব্যবহার করেছে। সিডিউলে ভবনের ছাদের পুরুত্ব পাঁচ ইঞ্চি করার কথা থাকলেও তা কোথাও তিন বা সাড়ে তিন ইঞ্চি করা হয়েছে। এবং নিম্ন গ্রেডের রড ব্যবহার করা হয়েছে। তাছাড়া দরজা-জালানায় খুবই নিম্নমানের শিট ও বার ব্যবহার করা হয়েছে।
এ বিষয়ে উপজেলা শিক্ষা অফিস থেকে অভিযোগ করা হলে উপজেলা প্রকৌশলী জিল্লুর রহমান প্রথমে নিম্নমানের কাজের কথা অস্বীকার করলেও পরবর্তীতে সামনে গ্রিল দিয়ে বিষয়টি মেকআপ করার কথা জানান বলে অভিযোগে জানা গেছে। এ ব্যাপারে উপজেলা প্রকৌশলীর কাছে জানতে চাইলে তিনি এ ব্যাপারে কিছু বলতে অস্বীকার করেন। তবে, নাম প্রকাশ না করার শর্তে কয়েকজন ঠিকাদার জানান, উপ-সহকারী প্রকৌশলী হবার পরও জিল্লুর রহমান দীর্ঘ আট বছর ধরে ভারপ্রাপ্ত উপজেলা প্রকৌশলী হিসেবে কাজ চালিয়ে যাচ্ছেন এবং কিছু ঠিকাদারের সাথে যোগসাজশ করে নানা ধরনের অনিয়ম, দুর্নীতি ও অপকর্ম চালিয়ে যাচ্ছেন।
এ বিষয়ে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তৌফিকুর রহমান জানান, এ বিষয়ে তিনি মৌখিক অভিযোগ পেয়েছেন। বিষয়টি প্রমাণিত হলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
ইত্তেফাক/নূহু
