কুষ্টিয়ার ভেড়ামারা উপজেলার মোকারিমপুর ইউনিয়নের নওদাক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের ৫ বছরের শিশু রাফিয়া খাতুনকে গরম পানি দিয়ে ঝলসে দিয়েছে প্রতিবেশি বৃদ্ধা বালা খাতুন। শিশু রাফিয়ার অবস্থা গুরুতর হওয়ায় তাকে কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। মর্মান্তিক এ ঘটনায় শিশুটির মুখ, বুক ও পেট পুরোটাই ঝলসে গেছে। শনিবার রাতে এ ঘটনা ঘটে। রবিবার শিশুটির পরিবার থানায় মামলা করলে সন্ধ্যায় আটক করা হয় আসামি বালা খাতুনকে (৫৮)। রাফিয়া নওদাক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের মাসুম আলীর মেয়ে।
পুলিশ ও শিশুর পরিবার সূত্রে জানা গেছে, নওদাক্ষেমিরদিয়াড় গ্রামের মৃত. জবান কারিগরের স্ত্রী বালা খাতুন পূর্ব শত্রুতার জের ধরে সন্ধ্যায় শিশু রাফিয়ার গায়ে গরম পানি নিক্ষেপ করে। এতে রাফিয়ার শরীরের সামনের অংশ পুরোটাই ঝলসে যায়। তাকে প্রথমে ভেড়ামারা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়। পরে তার অবস্থার বিবেচনা করে চিকিৎসকরা কুষ্টিয়া জেনারেল হাসপাতালে রেফার্ড করে। শিশুটির অবস্থা আংশকাজনক।
পূর্ব শত্রুতার জের ধরে এ ঘটনা ঘটেছে এমন অভিযোগ অস্বীকার করে আসামি বালা খাতুন ও তার পরিবার জানান, ঐ দিন বালা খাতুন রান্না ঘরে কচু সিদ্ধ করে ওই গরম পানি ঘরের বেড়ার ফাঁক দিয়ে বাইরে ফেললে অজান্তে পূর্ব থেকে ওখানে খেলা অবস্থায় শিশু রাফিয়ার গায়ে পড়ে। তারা জানান, শিশু রাফিয়াসহ অন্য শিশুরা ঐসময় ওই স্থানে খেলা করছিল।
ভেড়ামারা থানার ওসি আমিনুল ইসলাম জানান, ৫ বছরের এক শিশু রাফিয়াকে গরম পানি দিয়ে ঝলসে দিয়েছে। এমন অভিযোগ পেয়ে আসামি বালা খাতুনকে গ্রেফতার করা হয়েছে। এ ব্যাপারে ভেড়ামারা থানায় মামলা হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআই
