স্বামীর ঢেলে দেওয়া গরম পানিতে ঝলসে গেছে অন্তঃসত্তা স্ত্রীর শরীর

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ০০:৫০

স্বামীর ঢেলে দেওয়া গরম পানিতে ঝলসে গেছে অন্তঃসত্তা স্ত্রীর শরীর। গৃহবধু লতা আক্তার (১৯) ঝলসানো দেহ নিয়ে যন্ত্রনায় কাতরাচ্ছেন মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে। এ ব্যাপারে সোমবার লতার বাবা বাদি হয়ে মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ করেছেন।

লতার বাবা বিশা খাঁ জানান, এক বছর আগে সদর উপজেলা বেউথা গ্রামে আব্দুল বাতেনের ছেলে সুজন মিয়ার (২৩) সাথে তার মেয়ে লতার বিয়ে হয়। পেশায় রাজমিস্ত্রি সুজন বিয়ের পর থেকেই তার মেয়েকে বিভিন্ন অজুহাতে শারীরিক ও মানসিকভাবে নির্যাতন করে আসছে। বর্তমানে তার মেয়ে সাড়ে চার মাসের অন্তসত্তা। রবিবার দুপুরে সুজন মিয়া গোসল করার জন্য গরম পানি করতে বলে তার মেয়েকে।  গরম পানি হওয়ার পর সুজন গোসলের জন্য তার মেয়েকে গামছা নিয়ে আসতে বলে। গামছা নিয়ে যাওয়ার পর সুজন ‘গামছা ময়লা কেন’ বলে তার মেয়েকে মারধর করে। এক পর্যায়ে গোসলের গরম পানি তার মেয়ের শরীরে ঢেলে দেয়। এতে তার মেয়ের পিঠ ও দুই হাত ঝলসে যায়। এ খবর পেয়ে তিনি সন্ধ্যায় তার মেয়েকে সুজনদের বাড়ি থেকে উদ্ধার করে মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালে ভর্তি করেন। অভিযুক্ত সুজনের শাস্তির দাবিতে তিনি সোমবার দুপুরে মানিকগঞ্জ সদর থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। হাসপাতালে যন্ত্রনায় কাতর লতা আক্তার জানান, প্রায় সময়ই কোন না কোন কিছুর অজুহাতে সুজন তাকে মারধর করে। রবিবার তাকে হত্যার উদ্দেশ্যেই তার শরীরে গরম পানি ঢেলে দিয়েছে সে।

মানিকগঞ্জ ২৫০ শয্যা হাসপাতালের আবাসিক চিকিত্সক (আরএমও) লুত্ফর রহমান জানান, ওই গৃহবধুর শরীরের ৩০ ভাগ ঝলসে গেছে। বর্তমানে শংকামুক্ত থাকলেও এ ধরনের রোগীকে ৭২ ঘন্টা অবজারভেশনে রাখা হয়। মানিকগঞ্জ সদর থানার ওসি রকিবুজ্জমান জানান, আসামি সুজন মিয়াকে গ্রেফতারের চেস্টা চলছে।

শিবালয়ে গণপিটুনিতে ‘চোর’ নিহত

মানিগঞ্জের শিবালয় উপজেলার ইন্তাজগঞ্জ বাজারে গণপিটুনিতে এক কথিত চোর নিহত হয়েছে। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, রবিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে ওই বাজারের ইব্রাহিম মিয়ার মুদি দোকানের টিনের বেড়া কেটে ঘরে ঢোকার সময় ওই ব্যক্তি পাহারাদারদের হাতে ধরা পড়ে। এরপর স্থানীয় লোকজন এসে গণপিটুনি দিলে সে মারা যায়। তার পরিচয় জানা যায়নি। মানিকগঞ্জের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মহিউদ্দিন আহমেদ বলেন, বিষয়টি তদন্তের পর বিস্তারিত জানা যাবে।