হযরত শাহজালাল বিমানবন্দরের এয়ারফ্রেইট ইউনিটে হাউজহোল্ড সামগ্রীর আড়ালে আনা কোটি টাকা মূল্যের আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট জব্দ করেছে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতর। মঙ্গলবার দুপুরে মালয়েশিয়া থেকে আনা সন্দেহজনক পণ্যের চালান থেকে ১৯২০ কার্টনে আমদানি নিষিদ্ধ ৩ লাখ ৭ হাজার ২শ’ শলাকা বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
শুল্ক গোয়েন্দা কর্মকর্তারা জানান, তাদের কাছে তথ্য ছিল, আমদানি নিষিদ্ধ সিগারেটের একটি চালান খালাস নেওয়া হবে। বিমানবন্দরের কার্গো কমপ্লেক্সের মেইনওয়্যার হাউস-১ এ আসার পর শুল্ক গোয়েন্দা দল পণ্য চালানটি শনাক্ত করে। মঙ্গলবারই বিভিন্ন সংস্থার লোকজনের উপস্থিতিতে কার্টন খুলে আমদানি নিষিদ্ধ বিদেশি সিগারেট জব্দ করা হয়।
এ ব্যাপারে শুল্ক গোয়েন্দা ও তদন্ত অধিদফতরের মহাপরিচালক ড. মইনুল খান জানান, জব্দ করা সিগারেটগুলো ‘ব্ল্যাক’ ব্র্যান্ডের। চালানটির আমদানিকারক বাড্ডার ১০ নম্বর সড়কের মডার্ন এন্টারপ্রাইজ। পণ্য চালানটির ইনভয়েসে হাউজহোল্ড ঘোষণা থাকলেও বাস্তবে সিগারেট পাওয়া গেছে, যা মিথ্যা ঘোষণার সামিল। এটি কাস্টমস অ্যাক্ট ১৯৬৯ এর ৩২ ধারার স্পষ্ট লঙ্ঘন।
তিনি বলেন, আমদানি নীতি আদেশ অনুযায়ী সিগারেটের প্যাকেটের গায়ে বাংলায় ধূমপানবিরোধী সতর্কীকরণ লেখা ব্যতীত বিদেশি সিগারেট আমদানি করা যায় না। সিগারেটের ওপর উচ্চ শুল্ক (প্রায় ৪৫০%) পরিহারের জন্যই এসব সিগারেট আনা হয়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে। পণ্যের শুল্ককরসহ জব্দ করা সিগারেটের আনুমানিক বাজার মূল্য প্রায় এক কোটি টাকা। এ বিষয়ে বিষয়ে শুল্ক আইনে ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
ইত্তেফাক/এমআই
