ডিমওয়ালা ইলিশে বরিশালের আড়ত সয়লাব

আপডেট : ২৩ অক্টোবর ২০১৭, ২২:১৬
 
২২ দিনের নিষেধাজ্ঞা শেষে রবিবার দিবাগত রাত ১২টার পর থেকে সারারাত জেলেদের জালে ঝাঁকে ঝাঁকে ইলিশ ধরা পড়েছে। সোমবার সকাল থেকেই পোর্টরোডের আড়তে ট্রলার ভর্তি ডিমওয়ালা ইলিশ আসতে শুরু করে।
 
আগে ভাগেই সকল প্রস্তুতি সম্পন্ন করে জেলেরা ভাষানচর, বাগরজা, লেঙ্গুটিয়া পয়েন্ট, দড়ির চর, খাজুরিয়া, মাসকাটা নদী, তেতুলিয়া, মেঘনা, কীর্তনখোলার বেলতলা, চরবাড়িয়া, চরমোনাই পয়েন্ট, দপদপিয়া কালিজিরা পয়েন্টে ডিম ছাড়তে আসা ইলিশ ধরা শুরু করেন।   
 
মৎস্য ব্যবসায়ীরা জানান, দুপুরের মধ্যেই আড়াই হাজার মন ইলিশ এসেছে এ পাইকারী বাজারে। সরেজমিনে দেখা গেছে আড়তগুলোতে ইলিশ স্তুপ করে রাখা হয়েছে। ডিমওয়ালা ইলিশের বিষয়ে কোনো আড়তদারই মতামত দিতে নারাজ। তারা জানান, সকাল থেকেই ট্রলার ভর্তি করে জেলেরা ইলিশ নিয়ে আসছেন। তবে দুপুরের পর বরফ সংকট দেখা দেয়ায় দাম পড়ে যায়। সকালের চেয়ে বিকেলে মন প্রতি ৫ থেকে ৭ হাজার টাকা কম দামে ইলিশ বিক্রি হতে দেখা গেছে। 
IMG0
জেলা মৎস্য কর্মকর্তা (ইলিশ) বিমল চন্দ্র দাস জানান, শেষ দিনের অভিযানে রবিবার মেঘনা, কালাবদর, তেতুলিয়া, মাসকাটা, আড়িয়াল খাঁ, গজারিয়া, কীর্তনখোলা নদীতে অভিযানে আটক জাল এবং জেলেদের পাশাপাশি যে সকল মাছ পাওয়া গেছে তার ৪০ ভাগ ইলিশেরই পেট ভর্তি ডিম পাওয়া যায়। ইলিশ মূলত একবারে শতভাগ ডিম ছাড়ে না। ৬টি অমাবস্যা-পূর্ণিমায় এরা ভাগ ভাগ করে ডিম ছাড়ে। 
 
আমরা মূলত মূখ্য একটি অমাবস্যা-পূর্ণিমায় নিষেধাজ্ঞা জারি করেছি, আর এতে যে পরিমান ডিম ছেড়েছে ইলিশ তাতে চাহিদা পূরণ হয়ে যাবে। কিন্তু বাজারে ডিমওয়ালা ইলিশ থাকতে পারে তবে এর পরিমান কম। 
 
ইত্তেফাক/আরকেজি