এক সপ্তাহের মধ্যে ভিপি নূরের ওপর হামলার বিচার: ঢাবি উপাচার্য

আপডেট : ০৯ এপ্রিল ২০১৯, ২১:০১

এক সপ্তাহের মধ্যেই ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের এস এম হলে ভিপি নুরুল হক নূর ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা এবং ডিম নিক্ষেপের ঘটনা তদন্ত এবং দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যাবস্থা নেয়া হবে বলে জানিয়েছেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক ড. মো. আখতারুজ্জামান। 

এর আগে যে সময়ের ভেতর তদন্ত করে ব্যাবস্থা নেয়ার আশ্বাস দিয়েছিলেন উপাচার্য তা আজ মঙ্গলবার শেষ হয়।আজ ওই ঘটনায় জড়িতদের চিহ্নিত করে শাস্তি দিতে উপাচার্যের আশ্বাস এবং তদন্তের অগ্রগতি জানতে উপাচার্যের কাছে যান ভিপি নূরসহ অন্যান্য ছাত্রসংগঠনের নেতৃবৃন্দ। 

এসময় ডাকসুর সমাজসেবা সম্পাদক আখতার হোসেন, সমাজতান্ত্রিক ছাত্র ফ্রন্টের ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি সালমান সিদ্দিকী, ছাত্র ফেডারেশন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় শাখার সভাপতি বেনজির আহমেদ ও ডাকসুর ভিপি পদে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করা অরণি সেমন্তি খান উপস্থিত ছিলেন। 

উপাচার্যের সঙ্গে দেখা করার পর ভিপি নুরুল হক নুর ইত্তেফাককে বলেন, ‌উপাচার্য স্যার আমাদের বলেছেন, এসএম হলের ঘটনায় তদন্ত কমিটি তাদের কাজ চলমান রেখেছে। সুষ্ঠু তদন্তের স্বার্থে তিনি আমাদের কাছে এক সপ্তাহ সময় নিয়েছেন। এই সময়ের মধ্যে তিনি দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়ার আশ্বাস দিয়েছেন। উপাচার্যের আশ্বাসে আস্থা রয়েছে কিনা জানতে চাইলে তিনি বলেন, তিনি বিশ^বিদ্যালয়ের সর্বোচ্চ অবিভাবক তাই আমরা আস্থা রাখতে চাই। তবে নির্দিষ্ট সময়ের পরও দোষীদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা না নিলে আমরা আন্দোলন কর্মসূচিতে যাব।

আরও পড়ুন: সিলেটের হাওরে দুইদিনে বজ্রপাতে ৫ জনের মৃত্যু

উল্লেখ্য, গত ১ এপ্রিল রাতে মো. ফরিদ হাসান নামে এসএম হলের এক আবাসিক ছাত্রকে মারধর করে হল থেকে বের করে দেয়া হলে তার প্রতিবাদে ২ এপ্রিল বিকালে মিছিল নিয়ে এসএম হল প্রধ্যাক্ষকে স্মারকলিপি দিতে গিয়ে ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের তোপের মুখে পড়েন ভিপি নূর। এ সময় নূর ও তার সঙ্গীদের ওপর হামলা ও ডিম নিক্ষেপ করা হয়। ছাত্রলীগ নেতাকর্মীদের হামলায় একজন আহত হন বলে অভিযোগ নূরের। হামলার পর ওই দিন সন্ধ্যা থেকে শুরু করে পরদিন সকাল পর্যন্ত প্রায় ১৪ ঘণ্টা উপাচার্যের বাসভবনের সামনে অবস্থান করেন নূর ও তার সঙ্গীরা। পরে সকাল ৯টার দিকে উপাচার্য আখতারুজ্জামান অবস্থানকারীদের কাছে এসে আন্দোলন স্থগিতের অনুরোধ জানান। সোমবারের মধ্যে এই ঘটনায় জড়িতদের শাস্তির আশ্বাস দিয়েছিলেন তিনি।

ইত্তেফাক/কেকে