জলঢাকায় ধানকাটা নিয়ে সংঘর্ষে ৩ পুলিশসহ আহত ৭

আপডেট : ০৭ নভেম্বর ২০১৭, ০১:৪৮

নীলফামারীর জলঢাকায় ধানকাটা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় ৩ পুলিশসহ ৭ জন আহত হয়েছে। এ বিষয়ে পুলিশ বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের হয়েছে। এ ঘটনায় নারী ও পুরুষসহ ৭ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে।

গ্রেফতারকৃতরা হলেন, কার্তিক চন্দ্র (৩২), সুরেন্দ্র নাথ রায় (২৮), নুরুজ্জামান রহমান (৩৫), দুলাল রায় (৩৫), আব্দুল কাদের বালুয়া (৩৫), অঞ্জনা (৫০) ও চারু বালা (৩০)।

থানা ও এলাকাবাসী সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বালাগ্রাম ইউনিয়নের শালনগ্রাম ২নং ওয়ার্ডের সুরেন নাথ রায় নিঃসন্তান। তিনি জীবিতাবস্থায় তার পালিতপুত্র রবীন্দ্র নাথ রায়ের নামে ৭ বিঘা জমি কবলা করে দেন। অবশিষ্ট কিছু জমি নিজের শেষকৃত্যের জন্য রাখেন।

কিছুদিন পরে সুরেন নাথ রায় মারা গেলে সুরেনের স্ত্রী জ্ঞানোবালা বিভিন্ন জনের নিকট জমি বিক্রি করে স্বামীর শেষকৃত্য সম্পন্ন করেন। এর পরে মারা যায় সুরেনের স্ত্রী জ্ঞানোবালা ও পালিতপুত্র রবীন্দ্র নাথ।

তাদের মৃত্যুর পর রবীন্দ্র নাথের স্ত্রী সন্ধ্যা রানী, ঐসব সম্পত্তির মালিকানা দাবী করে কোর্টে একটি মামলা করেন। ঘটনার দিন সোমবার দুপুরে সন্ধ্যা রানী, তার লোকজন নিয়ে ওই জমির ধান কাটতে যান। এতে জমির ক্রয়সূত্রে মালিকগণ তাকে ধান কাটতে বাঁধা দিলে সংঘর্ষের রূপ নেয়।

এ সময় পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ করতে গেলে এস.আই আসলাম, কনষ্টেবল সহিদ সোহরাওয়ার্দী ও জাহিদসহ উভয়পক্ষের ৭ জন আহত হয়। আহত পুলিশ সদস্য সহিদ সোহরাওয়ার্দীকে উন্নত চিকিৎসার জন্য রংপুর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে প্রেরণ করা হয়।

এ ব্যাপারে সরকারি কাজে বাঁধা ও পুলিশের ওপর হামলার ঘটনায়, জলঢাকা থানার এস আই বাপ্পি বাদী হয়ে একটি মামলা দায়ের করেন।

এ বিষয়ে জলঢাকা থানার ওসি মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ঘটনার সাথে জড়িত সন্দেহে ৭ জনকে গ্রেফতার করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণ রাখতে ওই এলাকায় গ্রামপুলিশের একটি দল পাহারায় নিয়োজিত।

ইত্তেফাক/নূহু