মতলব উত্তরের উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে ঝুলছে তালা

আপডেট : ০৮ নভেম্বর ২০১৭, ০০:৫৭

স্বাস্থ্য সেবাকে গ্রামীণ সাধারণ মানুষদের হাতের নাগালে পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্যে সরকার ইউনিয়ন পর্যায় উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর আস্থা রাখলেও চাঁদপুরের মতলব উত্তর উপজেলার সাধারণ রোগীরা তা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে। প্রতিটিতে একজন এমবিবিএস (মেডিক্যাল অফিসার) নিয়োগ দেওয়া থাকলেও কর্মদিবসের বেশির ভাগ দিনই তাদের খুঁজে পাওয়া যায় না। রোগীদের নির্ভর করতে হচ্ছে উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও ফার্মাসিস্টদের ওপর। সেই উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও ফার্মাসিস্টরাই এখন দায়িত্ব পালন করছেন জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা কেন্দ্রে। ফলে দরিদ্র পরিবারের ও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের ওপর নির্ভরশীল সাধারণ মানুষগুলো পড়ছে দুর্ভোগে।

পরীক্ষা চলাকালীন ও পরীক্ষা শেষ হওয়ার পরও কয়েকটি উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্র ঘুরে রোগীদের উপস্থিতি লক্ষ করা গেলেও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রগুলোতে তালা ঝুলতে দেখা গেছে।

বর্তমানে উপজেলার ১১ কেন্দ্রে চলছে জেএসসি ও জেডিসি পরীক্ষা। এ ছাড়াও উপজেলার ২৫ কেন্দ্রে পিএসসি, ৯ কেন্দ্রের এসএসসি ও দাখিল, ৫ কেন্দ্রের এইচএসসি ও আলিম, ১ কেন্দ্রের ফাজিল ও ১ কেন্দ্রে কামিল পরীক্ষাগুলোতেও উপ-স্বাস্থ্য কেন্দ্রের উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও ফার্মাসিস্টরাই দায়িত্ব পালন করে থাকেন। ফলে রোগীরা এসব পরীক্ষার সময় চিকিত্সকদের খুঁজে পান না। আর অন্যান্য কারণে চিকিত্সকদের অনুপস্থিতির বিষয়তো রয়েছেই।

নাউরী আহম্মদীয়া উচ্চ বিদ্যালয় (মতলব-৫) কেন্দ্র সচিব একেএম তাজুল ইসলাম বলেন, আমার এখানে কোনো পরীক্ষার্থী এখনো অসুস্থ হয়নি।

মতলব উত্তর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. শংকর কুমার সাহা বলেন, সরকারি নির্দেশনা থাকায় কেন্দ্রে উপ-সহকারী মেডিক্যাল অফিসার ও ফার্মাসিস্টদের দেওয়া হয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু