কাকনহাট-নারায়ণপুর সড়ক

কার্পেটিং উঠে খানাখন্দ চরম দুর্ভোগে স্থানীয়রা

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৮, ২১:৪১

গোদাগাড়ী উপজেলা কাকনহাট থেকে নারায়ণপুর পর্যন্ত আঞ্চলিক সড়কের কার্পেটিং উঠে খানাখন্দ সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে ওই অঞ্চলের মানুষকে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। সরেজমিনে দেখা যায়, পিচ-খোয়া উঠে গেছে অনেক আগে, এরপর তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অসংখ্য গর্ত। প্রতিদিন এই সড়কে হেলেদুলে ঝুঁকি নিয়ে চলছে যানবাহন। ছোট-বড় দুর্ঘটনা এই সড়কে নিত্যদিনের ব্যাপার। দুর্ঘটনা এড়াতে যানবাহনগুলো ধীরে চলতে বাধ্য হচ্ছে। কাকনহাট-নারায়ণপুর সড়কে নিত্যদিন যাত্রীদের চরম দুর্ভোগ পোহাতে হয়। সড়কটির অনেক অংশেই এখন কার্পেটিং উঠে খোয়া বের হয়ে গেছে। এতে বিশেষ করে অটোরিকশা, বাইসাইকেল, মোটরসাইকেল চালকদের পড়তে হয় দুর্ঘটনার কবলে।

মোশরা, মোহনপাড়া, রারোহাটি, ললিতনগর, নারায়ণপুর, ঘিয়া পুকুরসহ আশেপাশের বিভিন্ন গ্রামের মানুষ কাকনহাট বাজারে যাতায়াত করে। কিন্তু অনেকদিন ধরে সংস্কার না করায় সড়কটির বেহাল দশার সৃষ্টি হয়েছে। মোশরার কৃষক আব্দুর রশিদ বলেন, এই এলাকা থেকে প্রতিদিন দেশের বিভিন্ন স্থানে পণ্য পাঠানো হয়। কিন্তু সড়কের অবস্থা খারাপ হওয়ায় যানবাহনের ভাড়া বেশি দিতে হচ্ছে।

ইজিবাইক চালক সুমন জানান, সড়কের নানা স্থানে ছোট-বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এতে করে যাত্রী নিয়ে চলাচল করতে সমস্যা হচ্ছে। এছাড়া খানাখন্দের কারণে গাড়ির বিভিন্ন যন্ত্রাংশ অল্প সময়ের মধ্যেই নষ্ট হয়ে যায়। এতে করে লোকসানে পড়তে হচ্ছে তাদের। সময় অনেক বেশি লাগে যাতায়াতে। তাছাড়া ঝাঁকির কারণে যাত্রীরাও উঠতে চায় না গাড়িতে। পাকড়ী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুর রাকিব সরকার বলেন, সড়কটির অবস্থা খুবই নাজুক। জরুরিভিত্তিতে সংস্কার করার জন্য স্থানীয় এমপি ও সড়ক জনপদ বিভাগকে অনুরোধ করেছি।

এ প্রসঙ্গে রাজশাহী সড়ক জনপদ বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী শামসুজ্জোহা বলেন, সড়কটির সংস্কারের জন্য একনেকে অনুমোদন হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যে দরপত্র আহবান করা হবে।