লক্ষ্মীপুরে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের সংঘর্ষ, ভাঙচুর, আহত-১০

আপডেট : ০৯ নভেম্বর ২০১৭, ২২:৫৮

লক্ষ্মীপুরের চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনের প্রস্তুতি সভায় পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে শ্লোগান দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুইপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষের অন্তত ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার রাত ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে।

সংঘর্ষের সময় জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মঞ্চে উপস্থিত ছিলেন। এ সময় প্রস্তুতি সভাস্থলে চেয়ার-টেবিলে ব্যাপক ভাঙচুর করা হয়। আহতদের উদ্ধার করে লক্ষ্মীপুর সদর হাসপাতালসহ বিভিন্ন ক্লিনিকে ভর্তি করা হয়েছে। আহতরা হলেন, যুবলীগকর্মী ফয়সাল, রাসেল, রণজিৎ, তাজু। ছাত্রলীগ কর্মী সজিব, শাকিল, রাকিব ও শুভসহ ১০ জন। এ ঘটনাকে কেন্দ্র করে দু-পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা বিরাজ করছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

দলীয় নেতা-কর্মীরা জানায়, আগামী ২৯ নভেম্বর চন্দ্রগঞ্জ ইউনিয়ন আওয়ামীলীগের সম্মেলনের তারিখ ঘোষণা করে সদর উপজেলা আওয়ামীলীগ। উক্ত সম্মেলনকে কেন্দ্র করে বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় স্থানীয় গণ মিলনায়তনে দলের প্রস্তুতি সভা শুরু হয়। জেলা ও সদর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি-সাধারণ সম্পাদকসহ অন্যান্য নেতৃবৃন্দ মঞ্চে উপস্থিত হলে যুবলীগ ও ছাত্রলীগ নেতা-কর্মীরা তাদের পছন্দের প্রার্থীর পক্ষে শ্লোগান দিয়ে শো-ডাউন করে নেতাদের দৃষ্টি আকর্ষনের চেষ্টা করে। এ নিয়ে উভয়পক্ষের মধ্যে বাক-বিতণ্ডা শুরু হয়। এক পর্যায়ে দু-পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ বেধে যায়। এতে ১০ নেতা-কর্মী আহত হয়। এ সময় চেয়ার-টেবিল ভাংচুর করে তারা।

যুবলীগ নেতা মোরশেদ আলম ও ছাত্রলীগ নেতা কাজী বাবলুর সমর্থকদের মধ্যে এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীরা। তবে ছাত্রলীগ নেতা কাজী বাবলু ও যুবলীগ নেতা মোরশেদ আলম একে অপরকে দায়ী করছেন।
চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোক্তার হোসেন জানান, ছাত্রলীগ ও যুবলীগের নেতা-কর্মীদের মধ্যে ভুল বোঝাবুঝির কারণে ধাওয়া-পাল্টা ধাওয়া হয়েছে। ঘটনাস্থলে অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে। পরিস্থিতি পুলিশের নিয়ন্ত্রণে রয়েছে।

ইত্তেফাক/নূহু