পর্যটন মৌসুমে নানা প্রতিকূল পরিস্থিতির অবসান ঘটিয়ে টেকনাফ-সেন্টমার্টিন নৌরুটে পর্যটক নিয়ে স্বপ্নের প্রবাল দ্বীপ সেন্টমার্টিন যাত্রা করেছে কেয়ারী সিন্দাবাদ।
সোমবার সকাল ১০টায় টেকনাফ দমদমিয়াস্থ কেয়ারী ট্যুর ট্রাভেলসের জেটি হতে ২৯৪জন পর্যটক এবং প্রায় একশত সেন্টমার্টিনের বাসিন্দা ও কর্মচারীদের নিয়ে এই পর্যটন মৌসুমের প্রায় দেড়মাস বিলম্বে হলেও জটিলতা কাটিয়ে প্রথম নৌজাহাজ কেয়ারী সিন্দাবাদের ক্যাপ্টেন দেলোয়ার হোসাইন সবাইকে স্বাগত জানিয়ে যাত্রা শুরু করেন।
এই প্রথম সফরে সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ, টেকনাফ কেয়ারী ট্যুর ট্রাভেলসের ম্যানেজার মো. শাহ আলম, সেলস কো-অর্ডিনেটর আজিজুর রহমান, কাস্টমার সার্ভিস আব্দুল মোক্তাদির সুমন এবং সোহেল, সেন্টমার্টিন ইনচার্জ নুরুল মোস্তফা প্রমুখ পর্যটকদের সাথে সেন্টমার্টিন গমন করেন। এই সময় বিআইডব্লিউটিএ প্রতিনিধি দল জাহাজ ঘাট পরিদর্শন করেন। দুপুর ১২টায় পর্যটক বোঝাই কেয়ারী সিন্দাবাদ নিরাপদে সেন্টমার্টিন জেটিঘাটে পৌঁছেন। এসময় দ্বীপের লোকজন পর্যটকদের স্বাগত জানায়।
এই ব্যাপারে সেন্টমার্টিন ইউপি চেয়ারম্যান নুর আহমদ বলেন, এই পর্যটন জাহাজ চালু হওয়ায় বেকার হয়ে পড়া এলাকাবাসীর কর্মসংস্থান সৃষ্টি হবে তাই আমরা দ্বীপবাসী আনন্দিত।
ইউনিয়ন আওয়ামী লীগের সভাপতি মুজিবুর রহমান জানান, দীর্ঘদিন পর হলেও সেন্টমার্টিনে পর্যটন জাহাজ চালু হওয়ায় এলাকাবাসী আনন্দিত। অত্র ইউনিয়নের মানুষের জীবিকায়নের কার্যক্রম শুরু হওয়ায় সংশ্লিষ্টদের ধন্যবাদ জানাচ্ছি।
কেয়ারী ট্যুরের সেন্টমার্টিন ইনচার্জ নুরুল মোস্তফা জানান, বিকাল ৩টা ১০মিনিটে সেন্টমার্টিন ভ্রমণে আসা পর্যটকরা টেকনাফের উদ্দেশ্যে নিরাপদে যাত্রা করেছেন।
কেয়ারী ট্যুরসের ম্যানেজার শাহ আলম বলেন, আল্লাহর অশেষ রহমতে অনেক বাঁধা কাটিয়ে আমরা এই পর্যটন মৌসুমে পর্যটকদের প্রথমে দ্বীপে আনতে পেরে খুবই আনন্দিত। আগামীতেও পর্যটকদের জন্য আমাদের এই প্রচেষ্টা অব্যাহত থাকবে বলে জানান।
এদিকে দীর্ঘদিন পর প্রবাল দ্বীপে পর্যটকদের পদচারণা এবং স্থানীয়দের উল্লাসে উৎসবমুখর পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে বলে জানা গেছে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকতা মো. জাহিদ হোসেন সিদ্দিক জানন, জেলা প্রশাসনের অনুমতি ও শর্ত সাপেক্ষে সেন্ট মার্টিন নৌ-রুটে জাহাজ চলাচল শুরু হয়েছে। তিনি আরো জানান, আগামী ১৫মার্চ পর্যন্ত এ রুটে পর্যটকবাহী জাহাজ চলাচল করবে।
ইত্তেফাক/আরকেজি
