বেনাপোল চেকপোস্টে দুই মাসে ৮২৬টি ডিটেনশন মেমো

আপডেট : ২৪ নভেম্বর ২০১৮, ২১:৪৫

বেনাপোল (যশোর) সংবাদদাতা

বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে কাস্টমস্ তল্লাশি কেন্দ্রের দায়িত্বরত কাস্টমস্  কর্মকর্তারা  অভিযান চালিয়ে সেপ্টেম্বর-অক্টোবর ২ মাসে ৮২৬টি ডিটেনশন মেমো (সাময়িক আটকপত্র)‘র মাধ্যমে ভারত থেকে আসা বাংলাদেশি ও ভারতীয় পাসপোর্ট যাত্রীদের ব্যাগেজ সুবিধার অতিরিক্ত মালামাল জব্দ করে কোটি টাকার রাজস্ব আদায় করেছে। জব্দকৃত মালামালের মধ্যে রয়েছে শাড়ি, থ্রিপিচ, জুতা, কসমেটিকস্, সাবান, চকলেট, আগরবাতি এবং বিভিন্ন ব্যান্ডের ভারতীয় মদ, মোটর পার্টস এবং আমদানি নিষিদ্ধ ওষুধ। তবে জব্দকৃত মালামালের ডিটেনশন মেমো দেওয়া হচ্ছে। তবে মালিকবিহীন মালামাল সরকারি কোষাগারে জমা দেওয়া হচ্ছে। বেনাপোল আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট দিয়ে সেপ্টেম্বর-১৮ মাসে ভারতে বহির্গামী যাত্রীর সংখ্যা ছিল বাংলাদেশি ৭৯ হাজার ৪শ’ ১৭ জন, বিদেশি ৯ হাজার ৫৬ জন এবং আগমনী যাত্রীর সংখ্যা ছিল বাংলাদেশি  ৮০ হাজার ৮ জন এবং বিদেশি যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৮ হাজার ৭শ’ ৩৮ জন। এসব যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর বাবদ রাজস্ব আদায় করা হয়েছে ৪ কোটি ৫১ লাখ ১৪ হাজার টাকা। ভ্রমণ কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ১ হাজার ৭শ’ ৬৩ জন যাত্রীকে। এ সময় ব্যাগেজ ব্যবসায়ীদের ৫৩০টি ডিটেনশন মেমো(সাময়িক আটকপত্র)‘র মাধ্যমে মালামাল আটক করা হয়েছে।

তা ছাড়া অক্টোবর মাসে এ পথে বহির্গামী যাত্রীর সংখ্যা ছিল ৯৬ হাজার ৯শ’ ১৪ জন। তাদের মধ্যে বাংলাদেশি ৮১ হাজার ২শ’ এক জন, বিদেশি ১৩ হাজার ৬শ’ ১২ জন এবং আগমনী যাত্রীর সংখ্যা ছিল বাংলাদেশি ৯২ হাজার ৫৭ জন এবং বিদেশি ১২ হাজার ১শ’ ৭০ জন।  এ সব যাত্রীদের কাছ থেকে ভ্রমণ কর বাবদ রাজস্ব আদায় করা হয়েছে ৪ কোটি ৮৩ লাখ ৭ হাজার টাকা। ভ্রমণ কর অব্যাহতি দেওয়া হয়েছে ২ হাজার একশ’ একজন যাত্রীকে। এ সময় ব্যাগেজ ব্যবসায়ীদের ২৯৬টি ডিটেনশন মেমো(সাময়িক আটকপত্র)‘র মাধ্যমে মালামাল আটক করা হয়েছে।

বেনাপোল কাস্টম হাউসের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ জাকির হোসেন জানান, আন্তর্জাতিক চেকপোস্টে যাত্রী সেবা অধিকতর নিশ্চিতকল্পে আমরা কাজ করে যাচ্ছি। সেই সঙ্গে এই চেকপোস্টকে ব্যবহার করে যেন কোনো অসাধু চক্র ব্যাগেজ ব্যবসার মাধ্যমে সরকারের রাজস্ব ফাঁকি দিয়ে চোরাচালান, মুদ্রা পাচারের মত কোনো অপরাধ করতে না পারে সে বিষয়ে আমাদের সতর্ক দৃষ্টি রয়েছে।