রৌমারীর অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল

আপডেট : ১৬ নভেম্বর ২০১৭, ০১:১৫

রৌমারী উপজেলার অভ্যন্তরীণ যোগাযোগ ব্যবস্থা বেহাল হয়ে পড়েছে। সম্প্রতিক বন্যায় উপজেলার কাঁচা পাকা প্রায় ৭৬টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ায় যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়ায় চরম দুর্ভোগে পড়েছে এলাকাবাসী।

দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে রাস্তাগুলোর বেহাল অবস্থায় পরিণত হওয়ায় উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের যানবাহন ও জনসাধারণের যোগাযোগে চরম দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। ঝুঁকি নিয়ে প্রতিদিনই ছয়টি ইউনিয়নের মানুষ চিকিত্সা, সরকারি বিভিন্ন সেবা ও সহযোগিতা হাট-বাজারের কাজে আসছেন উপজেলা সদরে।

দাঁতভাঙ্গা, শৌলমারী, বন্দবেড়, রৌমারী সদর, যাদুরচর ও চর শৌলমারী ইউনিয়নের গ্রামীণ গুরুত্বপূর্ণ কাঁচা-পাকা ছোট ও বড় প্রায় ৭৬টি সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। উপজেলার ছয়টি ইউনিয়নের মধ্যে গুরুত্বপূর্ণ ও চলাচলের একেবারেই অযোগ্য হয়ে পড়েছে রৌমারী সদর ইউনিয়নের তুরা রাস্তার নটানপাড়া জামে মসজিদ থেকে রতনপুর আব্দুল রশিদের বাড়ি পর্যন্ত পাকা রাস্তা ৩কি.মি ভোলার মোড় ডিসি রাস্তা থেকে শৌলমারী হাফাঁতি কান্দা ইসমাইলের দোকান পর্যন্ত পাকা রাস্তা ৪কিমি হাসপাতাল সংলগ্ন ডিসি রাস্তা থেকে ইজলামারী নৌকা ঘাট পর্যন্ত পাকা রাস্তা ৪কি.মি উপজেলা ডিসি রাস্তার মোড় থেকে কুটিরচর জামে মসজিদ পর্যন্ত পাকা রাস্তা ৩কি.মি রৌমারী থানা মোড় থেকে মহিলা ডিগ্রি কলেজ পর্যন্ত পাকা রাস্তা ১কি.মি, বন্দবেড় মদা ব্যাপারীর নৌকাঘাট থেকে দক্ষিণে বাঘমারা পর্যন্ত পাকা রাস্তা ২কি.মি থানা মোড় ডিসি রাস্তা থেকে পশ্চিমে পাখিউড়া ব্রিজ হয়ে চরশৌলমারী কাঁচাপাকা রাস্তা ১০কি.মি, খনজনমার স্লুইসগেট থেকে বাইটকামারী, পাখিউড়া হয়ে দাঁতভাঙ্গা পর্যন্ত ১৪কি.মি পাকা রাস্তা, কান্তাপাড়া গ্রামের বাঁশের ব্রিজ থেকে মনোখার বাড়ি পর্যন্ত কাঁচা রাস্তা ২কি.মিসহ অনেক রাস্তার অবস্থা করুণ।

প্রতিবছর সরকারি বরাদ্দ টিআর, কাবিখা, কাবিটা, এলজিএসপি, এলজিইডিসহ বিভিন্ন প্রকল্প দেওয়া হলেও নামমাত্র কাজ করে অর্থ আত্মসাত্ করা হয়। অনিয়ম-দুর্নীতি নিয়ে বিভিন্ন দপ্তরে একাধিকবার অভিযোগ দিলেও কার্যকর কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। অনেক ক্ষেত্রে কর্মসৃজন কর্মসূচির(মঙ্গা) শ্রমিক দিয়ে আইওয়াস করে কিছু কাজ করা হয়েছিল।

রৌমারী উপজেলা বাস্তবায়ন কর্মকর্তা আজিজুর রহমান জানান, আমি কিছু জানি না। যেহেতু আমি ওই সময় দায়িত্বে ছিলাম না। তবে বিষয়টি খতিয়ে দেখা হবে।

উপজেলা নির্বাহী প্রকৌশলী আব্দুল কাইয়ুম বলেন, উপজেলার পাকা রাস্তা রয়েছে ৬৫ কি.মি ও কাঁচা রাস্তা রয়েছে ৪৮৯ কি.মি। আমি অনেক পরে দায়িত্ব পেয়েছি। তাই আগের ব্যাপারে আমি কিছু বলতে পারবো না।

ইত্তেফাক/নূহু